চট্টগ্রাম বন্দরে অখালাসকৃত পণ্য নিলামে বিক্রি করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস গত পাঁচ বছরে আয় করেছে ২৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকার বেশি। এই পাঁচ বছরে বন্দরে বাজেয়াপ্ত পণ্য নিয়ে নিলাম হয়েছে ৬৪টি। যার মধ্যে ১০ হাজার ১৬০ লট পণ্য ছিল।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের নিলাম শাখার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে নিলাম হয়েছে নযটি। এ সময় মোট ২ হাজার ৩৮৩ লটের পণ্য বিক্রির মাধ্যমে আয় হয় ২৬ কোটি ৭০ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮৫ টাকা। এরপর ২০১৭ সালে ১১টি নিলামে ১ হাজার ৮৮৫ লট পণ্য নিলামে বিক্রি করে আয় হয় ৩৫ কোটি ১৬ লাখ ৫ হাজার ৮৪ টাকা। পরবর্তী বছর ২০১৮ সালে ২০টি নিলামে পণ্য ওঠে ২ হাজার ২৪৫ লটে। ওই বছর আয় হয় ৬৭ কোটি ৮৯ লাখ ২৬ হাজার ৭৯ টাকা। ২০১৯ সালে নিলাম সংখ্যা কম হলেও আয় হয় আগের তুলনায় বেশি। ওই বছর ১১টি নিলামে ১ হাজার ৯৮৫ লটে পণ্য বিক্রি করে আয় হয় ৭০ কোটি ৫৪ লাখ ৫৫ হাজার ৭৬ টাকা। সর্বশেষ গত বছর করোনার মধ্যেও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ১৩টি নিলাম হয়। সেখানে ১ হাজার ৬৬২ লটের পণ্য বিক্রি করে আয় হয় ৬৫ কোটি ৩০ লাখ ৪৪ হাজার ২৯৮ টাকা।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার ফখরুল আলম বলেন, ‘নিলামে পণ্য বিক্রির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় রাজস্ব আয়ও বেশি হচ্ছে। এছাড়া এতে বন্দরের অভ্যন্তরে পড়ে থাকা কনটেইনারে দখলকৃত জায়গা মুক্ত হচ্ছে। এর বাইরে বহু বছর পড়ে থাকা অকশন গোলাটিও খালি হচ্ছে।’