ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু উদ্বোধন শিগ্গিরই

বহুল প্রতীক্ষিত রামগড়-সাবরুম স্থলবন্দর স্থাপনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফেনী নদীর ওপর খাগড়াছড়ির রামগড় ও ত্রিপুরার সাবরুম অংশে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ এর নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বৈশি^ক মহামারি করোনার কারণে কিছুদিন বন্ধ থাকার পর গত কয়েক মাস রাত-দিন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা শ্রম দিয়েছেন এর পেছনে। এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন দু’দেশের জনগণ।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ^াস ভারতীয় হাইকমিশনারকে উদ্ধৃত করে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যৌথভাবে সেতু উদ্বোধনের কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বেশ কয়েকবার ঘুরে গেছেন স্থলবন্দর এলাকা। ৬ জানুয়ারি জাইকা প্রতিনিধি দল আসে। তারা মৈত্রী সেতুসহ সড়কে নির্মীয়মাণ সেতু-কালভার্ট পরিদর্শন করে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মৈত্রী সেতুর মাধ্যমে ভারতের ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হলে দুই দেশের মধ্যকার ব্যবসায়, বাণিজ্য পর্যটনের প্রসার এবং মানুষে মানুষে সম্পর্কোন্নয়নে গোটা অঞ্চলের উপকার হবে।

রামগড় পৌরসভার মহামুনি ও সাবরুমের আনন্দপাড়া এলাকায় এই সেতুর অবস্থান। নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১১০ কোটি রুপি। বাংলাদেশ ও ভারত সরকার ইতিমধ্যে স্থলবন্দরকে ঘিরে বন্দর টার্মিনাল, গুদামঘরসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণ কাজও চূড়ান্ত করেছে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, রামগড় স্থলবন্দর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ২৩তম। এজন্য রামগড়ের মহামুনিতে ১০ একর জমি অধিগ্রহণের কাজ চূড়ান্ত হয়েছে। প্রয়োজনে পরে আরো নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here