সঞ্চিত তেল ও গ্যাসের কারণে নরওয়ে বিশ্বের অন্যতম সম্পদশালী দেশ। তবে দেশটির নজর এখন গভীর সমুদ্রের তলদেশে সঞ্চিত তামা, জিংক ও অন্যান্য ধাতুতে। সবুজ প্রযুক্তিতে খুবই চাহিদাসম্পন্ন এসব ধাতু আহরণে দেশটি এখন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা নিতে আগ্রহী।
২০২৩ সালের মধ্যেই নরওয়ে গভীর সমুদ্রে মাইনিংয়ে আগ্রহী কোম্পানিগুলোকে লাইসেন্স প্রদান করতে পারে। এজন্য পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষার কাজটি খুব শিগগিরই শুরু করতে যাচ্ছে দেশটি। সমুদ্রের তলদেশে থাকা এ ধাতুগুলো ইলেকট্রিক যানের ব্যাটারি, বায়ুবিদ্যুতের টারবাইন ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগে।
নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষকদের ধারণা অনুযায়ী, দেশটির মহীসোপানে ২ কোটি ১৭ লাখ টন তামা এবং ২ কোটি ২৭ লাখ টন জিংক সঞ্চিত থাকতে পারে।