মেরিটাইম খাতে অটোনমাস ভেহিকল অপারেশনসে বেশ জোর দেওয়া হচ্ছে। আর এই কার্যক্রমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও তার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। কিন্তু এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণমূলক বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে চলে আসে। এসব প্রশ্নের সমাধানে সহায়তার লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) মেরিটাইম সেফটি কমিটি (এমএসসি) সম্প্রতি রেগুলেটরি স্কোপিং এক্সারসাইজ সম্পন্ন করেছে। এক্ষেত্রে তারা বিদ্যমান সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা চুক্তিগুলো বিশ্লেষণ করেছে, যার মাধ্যমে তারা জানতে চেয়েছে মেরিটাইম অটোনমাস সারফেস শিপগুলোকে (এমএএসএস) কীভাবে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা যায়।
আইএমওর এই স্কোপিং এক্সারসাইজের শুরুটা ছিল ২০১৭ সালে। লক্ষ্য ছিল আইএমওর বিভিন্ন ইনস্ট্রুমেন্টের সঙ্গে সংগতি রেখে কতটা সুরক্ষিত, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে এমএএসএস কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়, তা খুঁজে বের করা। স্কোপিং এক্সারসাইজ সম্পন্নের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য পূরণে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আইএমও। সংস্থাটি বলছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হবে। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়ন্ত্রণমূলক বিষয়গুলোও যেন হালনাগাদ করা হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। রেগুলেটরি স্কোপিং এক্সারসাইজ সম্পন্ন করা সেই প্রচেষ্টারই অংশ।
ভেসেলের অটোনমি সিস্টেমকে কয়েকটি ডিগ্রিতে বিভক্ত করা যায়। প্রথমে রয়েছে ডিগ্রি ওয়ান, যেখানে জাহাজে ক্রুর পাশাপাশি অটোমেটেড প্রসেস ও ডিসিশন সাপোর্ট থাকবে। ডিগ্রি টুতে রয়েছে দূরনিয়ন্ত্রিত জাহাজ, যেখানে নাবিক থাকবে। ডিগ্রি থ্রিতে আছে এমন দূরনিয়ন্ত্রিত জাহাজ, যেখানে কোনো নাবিক থাকবে না। আর ডিগ্রি ফোর হলো পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।