কোভিড-১৯ মহামারির কারণে এশীয় অর্থনীতিতে যে ধস নেমেছিল, তা থেকে উত্তরণের গতি অনেকটাই শ্লথ রয়েছে। অন্যদিকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রতিদ্বন্দ্বী পারমাণবিক ও কয়লা জ্বালানি সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। ভারতে অফশোর ডোমেস্টিক সাপ্লাইও বাড়বে। এসবের প্রভাবে আগামী বছর এশিয়ায় এলএনজির চাহিদায় প্রবৃদ্ধির গতি কমে যেতে পারে বলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান উডম্যাকেঞ্জি ধারণা করছে।
প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস বলছে, ২০২২ সালে এশিয়ায় এলএনজির চাহিদা বৃদ্ধি পাবে ১২ এমএমটিপিএ (মিলিয়ন মেট্রিক টন পার অ্যানাম)। এর আগে এ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছিল ১৯ এমএমটিপিএ। এদিকে আগামী বছর এলএনজির বৈশি^ক সরবরাহ ১৮ এমএমটিপিএ বাড়বে বলে ধারণা করছে উডম্যাকেঞ্জি।