আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা নির্বিঘন্নে রাখতে ঈদ-উল-ফিতরের ছুটিকালীন সময়ে বন্দরের কার্যক্রম শতভাগ সচল ছিল। এই লক্ষ্যে বন্দর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে বৈঠকের পাশাপাশি বন্দর কর্তৃপক্ষ ১৩ দফা নির্দেশনাও জারি করেছিল। কিন্তু এতসব উদ্যোগও কাজে আসেনি কনটেইনারবাহী পণ্য ডেলিভারির ক্ষেত্রে। ঈদের আগে এবং পরে অস্বাভাবিক কমেছে ডেলিভারির সংখ্যা। ঈদের আগের দিন ১৩ মে ডেলিভারি কমে যায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ৯০ ভাগ। ঈদের দিন ১৪ মে ডেলিভারি নেমে আসে শূন্যের কোটায়।
ঈদের ছুটিতে বন্দরের কার্যক্রম চালু রাখার ক্ষেত্রে সব ধরনের প্রস্তুতি ছিল বন্দর কর্তৃপক্ষের। কিন্তু বন্দর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সচল না থাকা ও আমদানিকারকরা পণ্য ডেলিভারি না নেওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে ১৮ মে থেকে ডেলিভারি কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে কারখানা, গুদাম বন্ধ থাকে। এই সময়ে তারা পণ্য ডেলিভারি নিয়ে কোথায় রাখবেন। তাই তারা ঈদের ছুটিকালীন সময়ে পণ্যের ডেলিভারি নেন না। বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘‘ঈদের ছুটিকালীন সময়ে আমদানিকারকরা পণ্য ডেলিভারি নেননি। তাই ডেলিভারির সংখ্যা এই সময়ে স্বাভাবিকের তুলনায় কমেছে।’’
এদিকে বন্দরের পাশাপাশি ঈদের ছুটিতে বেসরকারি অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপোগুলোতেও (আইসিডি) আমদানি পণ্যের কনটেইনার ডেলিভারি হয়নি। বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন শিকদার বলেন, ‘‘বন্দরের নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদের ছুটিতে ১৯টি বেসরকারি আইসিডির কার্যক্রম শতভাগ চালু ছিল। ঈদের আগের দিন থেকে বন্ধ হয়ে যায় ডেলিভারি।’’