শিপিং খাতসংশ্লিষ্ট ৪৫টি কোম্পানি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি আন্তর্জাতিক জোট সম্প্রতি একটি নতুন প্রকল্পে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) তরফ থেকে তহবিল সহায়তা পেয়েছে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্যই হলো বন্দর পরিচালনা কার্যক্রমকে আরও পরিবেশবান্ধব করা।
ইইউর ইউরোপিয়ান হরাইজন ২০২০ কর্মসূচি থেকে গবেষণা সহায়তা হিসেবে ৩ কোটি ডলার তহবিল বরাদ্দ পেয়েছে পাইওনিয়ারস নামে পরিচিতি পাওয়া এ প্রকল্প। পাঁচ বছরের প্রচেষ্টার ফসল এই প্রকল্প। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এটি শুরু হবে। ইইউর কাছ থেকে পাওয়া সহায়তা দিয়ে জোটটি বেশ কয়েকটি পাইলট ও ডেমোনস্ট্রেশন প্রকল্পের কাজ করবে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির উৎপাদন ও সরবরাহ, টেকসই বন্দর নকশা প্রণয়ন, মোডাল শিফট, অপটিমাইজেশন অব ফ্লোজ, ডিজিটাল রূপান্তর ইত্যাদি।
কনসোর্টিয়ামের নেতৃত্বে রয়েছে পোর্ট অব রটারডাম কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পটির ঘোষণায় তারা বলেছে, বর্তমানে বেশ কিছু নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও শক্তির উৎস নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রিন হাইড্রোজেন, বৃহদাকার ইলেকট্রিক ব্যাটারি, অ্যামোনিয়া, বায়ো-এলএনজি ইত্যাদি। এগুলোর প্রত্যেকটিরই সুবিধার পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এগুলোর কোনোটি শিপিংয়ের জন্য উপযোগী সলিউশন তো কোনোটি বন্দরের কার্যক্রম অথবা অভ্যন্তরীণ পরিবহনের কাজে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে ভোক্তা পর্যায়ে ব্যবহার পর্যন্ত কোনো সলিউশনের কার্যকারিতা পরীক্ষিত তো কোনোটি নিয়ে এখনো বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।
পোর্ট অব রটারডাম কর্তৃপক্ষ বলেছে, প্রকল্পের অংশীজনরা এখন জালানি রূপান্তরের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশন সলিউশন নিয়ে গবেষণা ও বাস্তবায়ন করবে।