জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে যেসব দেশ দ্রুত এগিয়েছে তাদের শীর্ষ তিনে রয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এসডিজি অর্জনে এগিয়ে থাকা অন্য দুটি দেশ হলো আফগানিস্তান ও আইভরিকোস্ট।

করোনা মহামারির কারণে এসডিজি অর্জন ব্যাহত হচ্ছে। ২০১৫ সালে এসডিজি প্রণয়নের পর এই প্রথম সূচকের স্কোর আগের বছরের চেয়ে কমে গেছে। এর মূল কারণ পৃথিবীজুড়ে দরিদ্রতা বেড়ে যাওয়া ও বেকারত্ব বৃদ্ধি পাওয়া। জাতিসংঘ ২০১৫ সালে এসডিজি প্রণয়ন করে, যা বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ বছর। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য। এতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাগুলোর মধ্যে দরিদ্রতা দূর করা, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সুস্বাস্থ্য, উন্নত শিক্ষা ও লিঙ্গবৈষম্য প্রতিরোধ করা অন্যতম।

লকডাউনে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে ২৯ জুন এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম বন্দরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বন্দর চেয়ারম্যানসহ কাস্টমস, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন

এসডিজির এবারের সূচকে বাংলাদেশের সার্বিক স্কোর ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ। গত বছর এই স্কোর ছিল ৬৩ দশমিক ২৬ শতাংশ। ২০১৫ সালে যখন এসডিজি গৃহীত হয় তখন বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৫৯ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বিশ্বের ১৬৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৯। বাংলাদেশ এক্ষেত্রে ভারত ও পাকিস্তান থেকে এগিয়ে।

এবারের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আ ছে ফিনল্যান্ড। দেশটির স্কোর ৮৫ দশমিক ৯ শতাংশ। এর পরের চার দেশ হলো সুইডেন, ডেনমার্ক, জার্মানি ও বেলজিয়াম। আর সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা দেশ হলো মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, এর আগে আছে সুদান ও সাদ। তালিকায় যে তিনটি দেশের অবনমন হয়েছে, সেগুলো হলো ভেনিজুয়েলা, টুভালু ও ব্রাজিল। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে এগিয়ে ভুটান। দেশটির অবস্থান ৭০তম। এরপর আছে মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল। তাদের অবস্থান যথাক্রমে ৭৯, ৮৭ ও ৯৬তম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here