জাহাজসংকটে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। রপ্তানি পণ্য পরিবহনে জটিলতা নিরসনে চট্টগ্রাম-কলম্বো রুটে যুক্ত হচ্ছে নতুন পাঁচটি কনটেইনার জাহাজ। ১২ জুলাই স্টেকহোল্ডারদের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব জাহাজ পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
অনুমতিপ্রাপ্ত জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে মেডিটেরানিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের (এমএসসি) জাহাজ ‘ওইএল ইন্ডিয়া’ ও ‘হারম্যান স্কেপার’, এভার বেস্ট শিপিং লাইনের ‘কন্টশিপ লেক্স’ ও ‘মিনিয়ন’ এবং সি কনসোর্টিয়ামের ‘এক্সপ্রেস যমুনা’।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম বলেন, ‘রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরণ সংকট নিরসনে বন্দর ও স্টেকহোল্ডারদের জরুরি বৈঠকে চট্টগ্রাম-কলম্বো রুটে নতুন কনটেইনার জাহাজ পরিচালনার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সে মোতাবেক সংশ্লিষ্টদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অনুমতিপ্রাপ্ত জাহাজগুলো তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।’
সিঙ্গাপুর, কলম্বো, পোর্ট কেলাংসহ বিভিন্ন ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরে জটের প্রভাবে জাহাজ সংকটে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে যথাসময়ে রপ্তানি পণ্য শিপমেন্ট নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বেসরকারি ডিপোগুলোতে রপ্তানি পণ্যের কনটেইনারজট সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন কারখানা থেকে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানযোগে পাঠানো রপ্তানি পণ্যগুলো অফডকে আন স্টাফিংয়ের জন্য গাড়িগুলোকে ৮-১০ দিন ডিপো গেটে লাইন ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বলেন, সংকট নিরসনে চট্টগ্রাম-কলম্বো রুটে পণ্য পরিবহনে নতুন ফিডার ভেসেলের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। এছাড়া বিভিন্ন অফডকে বিভিন্ন কোম্পানির প্রচুর পরিমাণ খালি কনটেইনার জমা হয়ে থাকায় সেখানে রপ্তানি পণ্য আন স্টাফিং কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই ওই বৈঠকে ২০ ফুটের খালি কনটেইনারগুলো ফোর্স শিপমেন্টেরও সিদ্ধান্ত হয়।