চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পারে বেসরকারিভাবে নির্মিত দ্বিতীয় জেটিতে ভিড়েছে একটি পণ্যবাহী জাহাজ। ‘গিউলিয়া-১’ নামের জাহাজটি স্ক্র্যাপপণ্য নিয়ে সেই জেটিতে ভিড়েছে ২৮ জুলাই। জাহাজে ২৩ হাজার টন স্ক্র্যাপ আনা হয়েছে বিএসআরএমের জন্য। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটি মূলত জাহাজ মেরামতের জন্যই এই জেটি নির্মাণ করেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের মূল জেটিতে জাহাজজট কমাতে সেখানে গিয়ে জাহাজ ভিড়িয়ে দ্রুত পণ্য খালাসের উদ্যোগ নিয়েছে।

কর্ণফুলী নদীর উত্তর পারে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান; আর দক্ষিণ পারে সরকারি উদ্যোগে একাধিক জেটি থাকলেও বেসরকারি উদ্যোগে জেটি নির্মাণের উদ্যোগ এই প্রথম। গত ৩০ মার্চ বেসরকারি জাহাজ মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী শিপবিল্ডার্স লিমিটেডের একটি জেটিতে প্রথম পণ্যবাহী জাহাজ ভেড়ানো হয়েছিল। সম্প্রতি এর পাশে দ্বিতীয় একটি জেটি তৈরি হওয়ায় সেখানে জাহাজ ভেড়ানো শুরু হয়েছে।

২৮ জুলাই চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পারে বেসরকারিভাবে নির্মিত দ্বিতীয় জেটিতে স্ক্র্যাপপণ্য নিয়ে ভিড়েছে জাহাজ ‘গিউলিয়া-১’

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, ‘বেসরকারি উদ্যোগে কর্ণফুলী শিপবিল্ডার্সের জেটি তৈরির অনুমোদনের আগেই বন্দরের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। সেই অনুযায়ী জেটি খালি থাকলে বন্দরের ব্যবহারের জন্য দেওয়ার শর্ত আছে। সে জন্য আমরা তাদের দুটি জেটিই এখন ব্যবহার করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুটি জেটি বাড়তি পাওয়ার ফলে আমরা বন্দরে বাড়তি জাহাজ ভেড়াতে পারছি। বিশেষ করে স্ক্র্যাপ পণ্যবাহী জাহাজ ভেড়াচ্ছি। এতে সেই জাহাজগুলো দ্রুত জেটিতে ভিড়ছে; একই সঙ্গে বন্দরের মূল জেটির ওপর চাপ কমছে। বন্দর বাড়তি রাজস্ব আয় করছে।’

জাহাজটির শিপিং এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আসিফ ইফতেখার হোসেন, ‘৩৩ হাজার টন স্ক্র্যাপ নিয়ে জাহাজটি বহির্নোঙরে পৌঁছে। সেখানে ৯ হাজার টন স্ক্র্যাপ ছোট জাহাজে নামানো হয়েছে। বাকি পণ্য নিয়ে জাহাজটি ড্রাইডক জেটিতে ভিড়েছে। মূলত দ্রুত স্ক্র্যাপ পণ্যবাহী জাহাজ জেটিতে ভিড়িয়ে পণ্য খালাস করতেই এই ড্রাইডক জেটিতে জাহাজ ভেড়ানো হয়েছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here