বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নৌসচিব পর্যায়ের বৈঠক, ২১তম স্ট্যান্ডিং কমিটি এবং দ্বিতীয় ইন্টার গভর্নমেন্টাল কমিটির বৈঠক ২০-২২ অক্টোবর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে বৈঠকে অংশ নিতে ২১ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ১৯ অক্টোবর নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে। নৌসচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার উপকূলীয় নৌবাণিজ্য, ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন বাড়াতে এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উভয় দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সংস্থা-১) এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য জাকিয়া সুলতানা, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহজাহান, মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর আবু জাফর মো. জালাল উদ্দিন, যুগ্ম সচিব ও চট্টগ্রাম বন্দরের পর্ষদ সদস্য মো. জাফর আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ টি এম মোনেমুল হক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. আবদুস সামাদ আল আজাদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এ টি এম রকিবুল হক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এস এম মোস্তফা কামাল, উপসচিব মো. আমিনুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক জাজরিন নাহার, বিআইডব্লিউটিএ’র পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও জাহাজ জরিপকারক মো. মঞ্জুরুল কবির, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দ্বিতীয় সচিব আকতার হোসেন, বাংলাদেশ কনটেইনার শিপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসির আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ কার্গো ভেহিকল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল হক এবং কোস্টাল শিপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শেখ মাহফুজ হামিদ।
দুই দশের নৌসচিব পর্যায়ের সর্বশেষ বৈঠক ২০১৯ সালের ৪ ও ৫ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী প্রটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড (পিআইডব্লিউটিটি) ১৯৭২ সালের ১ নভেম্বর স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান পিআইডব্লিউটিটি ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরের পর থেকে নবায়নের ভিত্তিতে অব্যাহত আছে।