নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে পরিচালিত এক অভিযানে সম্প্রতি চারজন জলদস্যুকে হত্যা করেছে একটি ডেনিশ ফ্রিগেট। গিনি উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসবার্ন স্নেয়ার নামের ফ্রিগেটটিকে গত মাসে গিনি উপসাগরে মোতায়েন করা হয়। সম্প্রতি কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজের কাছাকাছি একটি ফাস্ট মুভিং ভেসেলের উপস্থিতি টের পেয়ে ফ্রিগেটটি অভিযান শুরু করে। ওই ভেসেলে আটজন সন্দেহভাজন জলদস্যু ছিল বলে ডেনিশ মিলিটারি জানিয়েছে।
অক্টোবর/নভেম্বর থেকে মার্চ/এপ্রিল- সাধারণত বছরের এই সময়টায় গিনি উপসাগরে জলদস্যুতার ঘটনা বেড়ে যায়। তবে জলদস্যুতা প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতে নাইজেরিয়ার বিভিন্ন কর্মসূচি ও অন্তত দুটি আন্তর্জাতিক মেরিটাইম ফোর্সের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে জলদস্যুদের আক্রমণের প্রবণতা কিছুটা কমেছে।
গিনি উপসাগরে জলদস্যুতা প্রতিরোধের লক্ষ্যে গত মে মাসে বাল্টিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম কাউন্সিলের (বিমকো) উদ্যোগে গ্রহণ করা হয় গালফ অব গিনি ডিক্লারেশন অন সাপ্রেশন অব পাইরেসি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরকারী অংশীজনের সংখ্যা বাড়ছে।
সমুদ্র নিরাপত্তায় বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগ করেছে নাইজেরিয়া। গত জুনে নাইজেরিয়ার সমুদ্র নিরাপত্তা সংস্থা নিমাসার অধীনে যাত্রা হয়েছে ডিপ ব্লু প্রজেক্টের। এই প্রকল্পের অধীনে দুটি স্পেশাল মিশন প্যাট্রল বোট, তিনটি স্পেশাল মিশন হেলিকপ্টার, দুটি লাইট মেরিটাইম প্যাট্রল এয়ারক্রাফট ও চারটি আনম্যানড এয়ার ভেসেল যুক্ত হয়েছে সমুদ্র নজরদারিতে।