চট্টগ্রাম বন্দরে চালু হচ্ছে ‘ইলেকট্রনিক ডেলিভারি অর্ডার’

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) আগামী মাস থেকে একটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া চালু করতে যাচ্ছে, যেটি অটোমেশনের মাধ্যমে পণ্য খালাস করার কাজকে আমদানিকারকদের জন্য আরও দ্রুত, সহজ ও সাশ্রয়ী করবে। শিপিং এজেন্ট অথবা ফ্রেইট ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট দ্বারা ইস্যুকৃত ‘ডেলিভারি অর্ডার’ নামের এই ছাড়পত্র আমদানি প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত অনেকগুলো নথির মধ্যে একটি। এই ছাড়পত্র প্রদানের প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল করা হচ্ছে।

শিপিং এজেন্ট ও ফ্রেইট ফরোয়ার্ডিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা এই ছাড়পত্র আমদানিকারকদের দেন, যাতে তারা বন্দর থেকে চালান খালাস করতে পারেন। বর্তমান প্রক্রিয়া অনুযায়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের শিপিং এজেন্ট বা ফ্রেইট ফরোয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে সশরীরে গিয়ে ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) গ্রহণ করতে হয়। এতে বেশ কিছু কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়, যেটি আমদানি ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার সময়সীমাকে প্রভাবিত করে। ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্টরা আমদানিকারকদের পক্ষে এই কাজটি করে থাকেন। শিপিং এজেন্টদের কার্যালয় সন্ধ্যায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে অনেকক্ষেত্রেই এক দিনের মধ্যে ডিও সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না।

১ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ৬টি শীর্ষস্থানীয় শিপিং লাইন ডেলিভারি অর্ডার দেওয়া শুরু করবে। ২২ নভেম্বর চবক ৬টি প্রধান শিপিং এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, এপিএল বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড, মায়েরস্ক বাংলাদেশ লিমিটেড, কন্টিনেন্টাল ট্রেডার্স বাংলাদেশ লিমিটেড, কন্টিনেন্টাল ট্রেডার্স, ওশ্যান ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও এমএসসি মেডিটারেনিয়ান শিপিং কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here