কর্পোরেট ট্যাক্স নির্দিষ্ট করে দেয়া, উৎসে করে নিম্ন হার বহাল রাখাসহ বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছে তৈরি পোশাক প্রস্তুত কারকদের সংগঠন-বিজিএমইএ। রাজধানীতে বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রাক-বাজেট আলোচনায় ব্যবসায়ীরা জানান, বন্ড লাইসেন্সে কাঁচামালের বিবরণে এইচ এস কোড নিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের এসব প্রস্তাব বিবেচনার আশ্বাসও দিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান।
করোনাসহ নানা কারণে তৈরি পোশাক শিল্পে নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পোশাকের দরপতন, ডলারের বিপরীতে মুদ্রার অবস্থান, সুতার দাম বৃদ্ধিসহ নানা কারণে প্রতিযোগী দেশগুলো থেকে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ।
২০২২-২৩ সালের প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব বিষয় তুলে ধরে ব্যবসায়ীরা জানান, ছোট কারখানাগুলো যাতে টিকে থাকতে পারে সেজন্য সাবকন্টাক্ট এর বিপরীতে ভ্যাট আদায় অব্যাহতি দিতে হবে। এছাড়াও রপ্তানির আয়ের বিপরীতে কর তুলে নেয়ার দাবি জানান তারা।
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, কোভিড-১৯ এর চ্যালেঞ্জ আমরা অনেক দেশের তুলনায় অনেক বেশি ভালোমতো মোকাবিলা করে এখন তার ফল পাচ্ছি। এখন আমাদের রপ্তানি কোভিডের আগের অবস্থার তুলনায় আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, এই উর্ধ্বমূখী ধারা আরো বাড়ানোর সুযোগ আছে। এই সুযোগ নেয়ার জন্য পণ্য মূল্য কমানোসহ ক্রেতাদের পণ্য ধরনের অনুরোধসহ আরো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তাই উদ্যোক্তারা চাপে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে উৎসে কর বিদ্যমান দশমিক ৫০ শতাংশ, কর্পোরেট কর সাধারণ কারখানার জন্য ১২ শতাংশ এবং গ্রিন কারখানার ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ আরো ৫ বছর পর্যন্ত বহাল রাখার অনুরোধ করছি।
এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান জানান, সবকিছু হিসেবের মধ্যে চলে আসলে আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজ করা সম্ভব হবে।
উন্নয়নশীল দেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যবসায়ীদের সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান।