বিনিয়োগের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে বিনিয়োগ পাওয়া না পাওয়া নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। অবশ্যই এটি একটি বড় বিষয়। কিন্তু এসব খাতের বিনিয়োগকারীদের ওপর নজর রাখা, বিনিয়োগের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, এসব বিনিয়োগ থেকে ইতিবাচক ফল বের করে নিয়ে আনতে আমাদের সক্ষমতা কতটুকু সেটিও বুঝতে হবে। এমন পরিস্থিতে তরুণদের বেশি বেশি যুক্ত করার বিকল্প নেই। একই সঙ্গে আমাদের গবেষণা বাড়াতে হবে। আমরা কী করব, কীভাবে করব এসব বিষয়ে বিস্তারিত জ্ঞান থাকা জরুরি।

বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর এক হোটেলে ইয়ুথ পলিসি ফোরাম (ওয়াইপিএফ) আয়োজিত ‘রোড ম্যাপ টু কপ২৭ কনফারেন্স’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী এসব কথা বলেন

এতে জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি, সবুজ রূপান্তর, সবুজ প্রবৃদ্ধি, জলবায়ুজনিত গতিশীলতা, বিনিয়োগ, পদক্ষেপ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশবিষয়ক বিশেষ দূত মো. আবুল কালাম আজাদ। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের পরিবেশবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ইউন জু অ্যালিসন উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, সাধারণত প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে দেখা যায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে। এটিই একমাত্র সমস্যা বা এর এটিই সমাধান এমন নয়। দেখা যাচ্ছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে মিঠাপানির অভাব দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে খুলনা, সাতক্ষীরা অঞ্চলে এটি বেশি। আগামী ২০-২৫ বছর পর এটি ব্যাপক হারে দেখা দেবে। পানিতে লবণাক্ততা বাড়ছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকা ক্রমেই বসবাস অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। কর্মসংস্থানের ধরন বদলে যাচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হচ্ছেন পেশা পরিবর্তন করতে। ফলে অভ্যন্তরীণ অভিবাসন বাড়ছে।

বিশ্বব্যাংকের পরিবেশবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ইউন জু অ্যালিসন ইয়ে বলেন, আগামীতে পরিবেশ দূষণ ব্যাপকভাবে বাংলাদেশের উন্নয়নকে ব্যাহত করবে, অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে। পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে বিশেষ নজরদারি ও সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধি এবং পরিবেশবিষয়ক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here