চলতি বছরের জানুয়ারিতে পার্শ্ববর্তি দেশ ভারতের জলসীমায় সমুদ্রপথে চলাচলকারী পণ্যবাহি জাহাজে দুটি দস্যুতার ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর প্রণালীতে ঘটেছে আরো পাঁচটি ঘটনা। সব মিলিয়ে জানুয়ারি মাসে বিশ্বের সমুদ্রপথে চলাচলকারী পণ্যবাহি জাহাজে সাতটি দস্যুতার ঘটনা ঘটলেও চট্টগ্রাম বন্দর তথা দেশের জলসীমা ছিল দস্যুতামুক্ত। এর আগে ২০২১ সালের সারা বছরই চট্টগ্রাম বন্দর জলসীমা দস্যুতা শূন্য ছিল জলসীমা।
আন্তর্জাতিক সংস্থা রিক্যাপ গত সপ্তাহে তাদের মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে। সংস্থাটি ২০০৬ সাল থেকে বাণিজ্যিক জাহাজে সংঘটিত সশস্ত্র ডাকাতি, দস্যুতা ও চুরি প্রতিরোধে কাজ করে আসছে। প্রতিবেদনে বলা উল্লেখ করা হয়, ৩ জানুয়ারি ওয়েল ট্যাংকার মিড ইগল, ৬ জানুয়ারি টাগ বোট কাইন সান ১ এন্ড কাইন সান ৮, ৮ জানুয়ারি ট্যাংকার ব্লু সি, ৮ জানুয়ারি কেমিক্যাল ট্যাংকার বো সান্টোস, ১৯ জানুয়ারি টাগবোট রোজ এন্ড ভিমলা-১, ওয়েল রিগ হাই দুয়ং-১৯ এন্ড হাকুরু-৫ এবং ১০ জানুয়ারি ট্যাংকার এম এস কার্লাতে দস্যুতার ঘটনা ঘটে।
রিক্যাপ প্রতিবেদনে, সিঙ্গাপুর প্রণালীতে দস্যুতা বাড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে; নিয়ন্ত্রনে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে রিক্যাপ। সেখানে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে সিঙ্গাপুর প্রনালীতে দস্যুতা ঘটেছিল তিনটি; ২০২২ সালে ঘটেছে পাঁচটি। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ভারতে দস্যুতা ঘটেছিল একটি; ২০২২ সালে ঘটেছে দুটি। প্রতিবেদনে, যেসব দেশে জানুয়ারিতে দস্যুতামুক্ত করতে পেরেছে তিনটি দেশ; সেগুলো হচ্ছে, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম। এরমধ্যে ইন্দোনেশিয়াতে প্রায় সময়ই দস্যুতা লেগেই ছিল। ২০২১ সালে ইন্দোনেশিয়াতে তিনটি দস্যুতা ঘটেছিল; ২০২২ সালে শুন্য। ২০২১ সালে ফিলিপাইনসে একটি দস্যুতা ঘটেছিল; ২০২২ সালে শুন্য। ২০২১ সালে ভিয়েতনামে একিট দস্যুতা ঘটেছিল আর ২০২২ সালে শূন্যে নেমেছে।