ভোগ্যপণ্য আমদানিতে শূন্য মার্জিনে এলসি খোলার নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের

দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রধান গেটওয়ে চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি: বন্দর বার্তা

রমজানের আগে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে শূন্য মার্জিনেও এলসি খোলা যাবে। এলসি কমিশনও সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখতে হবে। ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল, মটর, পেঁয়াজ, মসলা, খেজুর, ফলমূল, চিনিসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য আমদানিতে শূন্য মার্জিনে এলসি খুলতে হবে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সাধারণভাবে পণ্য দেশের আসার পর বিল পরিশোধ করতে হয়। তবে আমদানি ঋণপত্র খোলার সময় গ্রাহককে ব্যাংকে পণ্য মূল্যের একটি অংশ জমা দিতে হয়। যাকে এলসি মার্জিন বলে। এই মার্জিনের বিষয়টি নির্ধারিত হয় ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে। ব্যাংকের সঙ্গে গ্রাহকের ব্যবসায়ীক সম্পর্ক ভালো হলে ন্যূনতম ১০ মার্জিনেও এলসি খোলা হয়। আবার গ্রাহক যদি ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হন, সেক্ষেত্রে শতভাগ মার্জিন নিয়ে এলসি খোলা হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাস এবং ঈদুল ফিতর আসন্ন। অপরদিকে কভিড-১৯ মহামারি পরবর্তী পরিস্থিতিসহ নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত বিভিন্ন কারণে বাজারে আমদানি নির্ভর নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ অবস্থায় আসন্ন রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, পণ্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল, মটর, পেঁয়াজ, মসলা, খেজুর, ফলমূল এবং চিনিসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হলো।

এতে আরও বলা হয়েছে, আমদানি ঋণপত্রের মার্জিনের হার ন্যূনতম পর্যায়ে রাখতে হবে এবং ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে শূন্য মার্জিনে ঋণপত্র খোলা যাবে। আমদানি ঋণপত্রের কমিশন ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে যথাসম্ভব ন্যূনতম পর্যায়ে রাখতে হবে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে। যা আগামী ১০ মে পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here