বাংলাদেশকে ট্যারিফ লাইনের আওতায় থাকা ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছিল চীন। ২০২০ সালের জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া এ সুবিধার তথ্য জুন মাসে জানিয়েছিল বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি ৯৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছে চীন। যার মাধ্যমে মোট ৮ হাজার ৯৩০ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। এ-সংক্রান্ত তালিকা ১৬ মার্চ প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
ট্যারিফ লাইনের আওতায় ৯৭ শতাংশের মাধ্যমে মোট ৮ হাজার ২৫৬ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেয়েছিল বাংলাদেশ। ৯৮ শতাংশের সুবিধার আওতায় যুক্ত হচ্ছে ৬৭৪টি পণ্য। যার মাধ্যমে মোট পণ্য সংখ্যা ৮ হাজার ৯৩০টিতে দাঁড়িয়েছে। মূলত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বর্ধিত সুবিধায়।
অর্থমূল্য বিবেচনায় বাংলাদেশের মোট পণ্য আমদানির ২৫ শতাংশই হয় চীন থেকে। দুই দেশের বাণিজ্যের আকার ১৩ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। গত অর্থবছর চীন থেকে বাংলাদেশ ১২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। আর রপ্তানি করেছে ৬৮ কোটি ডলারের পণ্য। অর্থাৎ বছরে ২০ শতাংশের বেশি পণ্য চীন থেকে আমদানি করলেও দেশটিতে রপ্তানি হয় ১ শতাংশেরও কম। দুই দেশের মধ্যে এমন বিশাল বাণিজ্য ঘাটতির মধ্যে চীন ২০২০ সালের জুলাই থেকে ট্যারিফ লাইনের আওতায় ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশী পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা চালু করে। সম্প্রতি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যকে অন্তর্ভুক্ত করে সেটি বাড়িয়ে ৯৮ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির সরকার।