স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ২৬ মার্চ দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর আগে আজ (২৫ মার্চ) শুক্রবার কালরাত্রিতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর অতর্কিত হামলায় নিহতদের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২৬ মার্চের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থানরত সকল জাহাজে একযোগে ভেঁপু (হর্ণ) বাজানোর মাধ্যমে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হবে। মঙ্গলবার (২২ মার্চ) পরিচালক (প্রশাসন) স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচির তথ্য সকল বিভাগকে জানানো হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ২৫ মার্চ রাত ১২ টা ১ মিনিটে বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার বাইরে ব্ল্যাকআউট করা, বন্দরের সকল স্থাপনা ও জাহাজে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, রিপাবলিক ক্লাব প্রাঙ্গণে স্মৃতিসৌধে বন্দর চেয়ারম্যান কর্তৃক পুষ্পস্তবক অর্পণ, শহীদ ফজলুর রহমান মুন্সী অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন, মসজিদ ও মন্দিরে প্রার্থনার আয়োজন, বন্দর পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা, চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন, বন্দর হাসপাতালে রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার বিতরণ, জেটিতে অবস্থানরত জাহাজের ক্যাপ্টেনদের মাঝে ফল বিতরণ ও ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো, প্রীতি ফুটবল ও ক্রিকেট ম্যাচ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী।
এসব কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে বন্দরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।