সমুদ্র নিরাপত্তায় নতুন কর্মকৌশল প্রণয়ন যুক্তরাজ্যের

নতুন কৌশলগত কর্মপরিকল্পনায় হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য সংগ্রহের ওপর জোর দিয়েছে যুক্তরাজ্য

ভবিষ্যতে সমুদ্র শিল্পের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে, এমন ঝুঁকিগুলো মোকাবিলার লক্ষ্যে একটি নতুন সমুদ্র নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করেছে যুক্তরাজ্য। পাঁচ বছর মেয়াদি এই কর্মকৌশলে দেশটির বিদ্যমান আইন, বিধিবিধান ও রীতিনীতি অনুসরণের মাধ্যমে একটি গতিশীল, ভারসম্যপূর্ণ ও উন্মুক্ত সমুদ্রাঞ্চল প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া এতে সাগরে অবৈধ, অপ্রতিবেদিত ও অনিয়ন্ত্রিত (আইইউইউ) মৎস্য আহরণ ও পরিবেশগত ক্ষতি সাধনের বিষয়টিকে সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

সরকার বলছে, নতুন এই কর্মকৌশল সামুদ্রিক নিরাপত্তা খাতে যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও সাইবার সুরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এছাড়া পরিবেশগত ক্ষতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মেরিটাইম নেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতেও সহায়তা করবে এটি।

নতুন এই উদ্যোগে যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে ইউকে সেন্টার ফর সিবেড ম্যাপিং (ইউকে সিএসএম) স্থাপন অন্যতম। সরকার বলছে, মেরিটাইম সিকিউরিটির জন্য প্রয়োজনীয় সমুদ্রতলের আরও মানসম্পন্ন ও বেশি পরিমাণে তথ্য সংগ্রহে এই সেন্টার কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

পঞ্চবার্ষিকী এই পরিকল্পনার অধীনে ব্রিটেনের সমুদ্রসীমান্ত, বন্দর ও অবকাঠামোগুলোর নিরাপত্তায় পাঁচটি কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ব্রিটিশ সরকার শুধু যে নিজেদের নিরাপত্তার কথাই ভাবছে, তা নয়। বরং আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনও যেন সুরক্ষিত থাকে, সেজন্যও কিছু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here