২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাস খানেক বাকি। বৈশ্বিক এই আসরকে সামনে রেখে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে ভিড় জমাবেন প্রায় ১২ লাখ ফুটবলপ্রেমী। এত বিপুল সংখ্যক মানুষের অবস্থানের জন্য হোটেল ক্যাপাসিটি নেই দেশটির। এই অবস্থায় বিকল্প জায়গার সংস্থান করছে কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে তিনটি প্রমোদতরী ভাড়া করেছে আয়োজকরা।
২০ নভেম্বর শুরু হচ্ছে কাতার বিশ্বকাপ। দেশটির রাজধানী দোহায় হোটেলগুলোয় সব মিলিয়ে রুম রয়েছে ৩১ হাজার, যা দিয়ে বিশ্বকাপ দর্শকদের সবার আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগে থেকেই বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে আয়োজকরা। ফুটবলপ্রেমীরা যেন কোথাও অন্তত রাত কাটানোর সুযোগ পান, সে লক্ষ্যে দোহার উপকণ্ঠে কনটেইনার দিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কেবিন বানানো হয়েছে। এছাড়া কেতাইফান আইল্যান্ডে ১ হাজার ৮০০ সমর্থকের থাকার উপযোগী করে একটি ফ্যান ভিলেজ তৈরি করা হয়েছে তাঁবু দিয়ে। অ্যাপার্টমেন্টগুলোয় যেন দর্শকরা ভাড়ার বিনিময়ে থাকার সুযোগ পান, করা হয়েছে সেই ব্যবস্থাও।
এরই ধারাবাহিকতায় এমএসসি ক্রুজেসের কাছ থেকে ভাড়া করে আনা হয়েছে তিনটি প্রমোদতরী। এর মধ্যে দুটি ক্রুজ শিপ এমএসসি ওয়ার্ল্ড ইউরোপা ও এমএসসি পোসিয়া ভাড়া করার চুক্তি আগেই হয়েছিল। সর্বশেষ ভাড়া করা হয়েছে এমএসসি ওপেরাকে। ২০০৪ সালে নির্মিত জাহাজটির যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ৭০০।
এদিকে যারা দৈনিক উড়োজাহাজে করে কাতারে গিয়ে খেলা দেখে আসতে চান, তাদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার হোটেল। তবে সেখানেও হোটেলের আসন ও দুবাই-দোহা ফ্লাইটের টিকিট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।