কার্বন হ্রাসে কর আরোপের প্রস্তাব ডব্লিউটিও মহাপরিচালকের

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন কার্বনমুক্ত করতে এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মহাপরিচালক নাগজি ওকোঞ্জিও। প্রয়োজনে যেসব পণ্য উৎপাদনে কার্বন নিঃসরণ হয় বেশি, সেগুলোতে করহার বৃদ্ধি এবং আমদানি পর্যায়ে শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সভায় ভাষণে তিনি এ প্রস্তাব করেন। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নাগজি ওকোঞ্জিও বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে, বর্তমানে তুলনামূলক পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবহার করে প্রস্তুত করা পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, দূষণের জন্য দায়ী জ্বালানিতে উৎপাদিত পণ্যে শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে কম। অথচ হওয়া উচিত বিপরীত। ভুল বাণিজ্যনীতির কারণও এ জন্য দায়ী। যেসব পণ্য উৎপাদনে কার্বন নিঃসরণ বেশি হয়, সেগুলোতে বিভিন্ন দেশ বছরে ৫৫০ বিলিয়ন থেকে ৮০০ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিচ্ছে। এ প্রবণতা বন্ধ হলে বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ ৩ শতাংশের বেশি কমতে পারে। আবার এভাবে ১ শতাংশের মতো মুনাফা বাড়বে বিশ্ব অর্থনীতির।

ডব্লিউটিও মহাপরিচালক বলেন, বিশ্বব্যাপী কার্বন মূল্যের কমপক্ষে ৭০ ধরনের স্কিম আছে, যা প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে উদ্বেগ তৈরি করছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে কার্বন কর আরোপের বিষয়টিকে মূলধারায় নিয়ে আসতে ডব্লিউটিও গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্বব্যাংক, ওইসিডি ও আইএমএফের সঙ্গে কাজ করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here