আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হারমোনাইজড সিস্টেম (পণ্য পরিচিতি বা এইচএস কোড) সংক্রান্ত জটিলতার আইনি সমাধান চেয়েছেন ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (সিঅ্যান্ডএফ) নেতারা।
রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রাক-বাজেট আলোচনার আয়োজন করে।
এ সময় বিদ্যমান কাস্টমস আইনের ৩২ ধারা উল্লেখ করে মিস ডিক্লারেশনেরর বিষয়টি তুলে ধরে সংগঠনের এক নেতা বলেন, এই ধারায় ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বিষয়টি সুনির্দিষ্ট করা দরকার।
নেতারা বলেন, এতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিষয়টি নিয়ে আইনে সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকায় জটিলতার সৃষ্টি হয়। দেখা যায়, এনবিআর দেওয়া একটি সুবিধার আওতায় কেউ পণ্য আমদানি করলে, সেটি ভিন্ন এইচএস কোডে মূল্যায়ন করা হয়। তখন আমদানিকারক সরকারের দেওয়া সুবিধা তো পায়ই না, মিস ডিক্লারেশনের ধারায় পড়ে উল্টো ২০০% জরিমানা দিতে হয়। এ থেকে পরিত্রাণ দরকার।
এনবিআরের সদস্য মাসুদ সাদিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় এনবিআরের সিনিয়র কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।