চলতি বছরের প্রথমার্ধে বিশ্বজুড়ে শিপিং খাতে অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল ড্রাইবাল্ক পরিবহনে নতুন ভরা মৌসুম বা সুপার সাইকেল। সবার নজর এখন সেদিকেই। আলোচ্য সময়ে ভোগ্যপণ্যের দাম কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রেইট রেট বা জাহাজের ভাড়াও বেড়েছে সমানতালে এবং তা গত দশকের সর্বোচ্চ মানকে ছাড়িয়ে গেছে। তাহলে কি একে সুপার সাইকেল বলা যাবে? বাস্তবতা হলো সেই পর্যায়ে আসতে এখনো ঢের বাকি।

বাল্টিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম কাউন্সিলের (বিমকো) চিফ শিপিং অ্যানালিস্ট পিটার স্যান্ডের মতে, ‘ভোগ্যপণ্যের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে এবং তা ২০০৭ ও ২০০৮ সালের সময়কার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এ কারণে সবাই কমোডিটি সুপার সাইকেলের কথা বলছে। তবে বাস্তবতা হলো, ড্রাইবাল্ক পরিবহনে জাহাজভাড়া কিংবা শিপ ভ্যালু যতই গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকুক না কেন, ২০০৭-০৮ সালের দিকে কোম্পানিগুলোর যে আয় ছিল, তার চেয়ে ঢের পিছিয়ে রয়েছে। আর তা সেই পর্যায়ে যাবে, সে সম্ভাবনাও ক্ষীণ।’

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে সব ধরনের ড্রাইবাল্ক ক্যারিয়ার দিনপ্রতি গড়ে ২০ হাজার ডলারের বেশি আয় করেছে। এর মধ্যে কেপসাইজ ক্যারিয়ারগুলোর প্রতিদিনের গড় ভাড়া ছিল ২৪ হাজার ৯৭০ ডলার। ২০০৮ সালের একই সময়ে তা ছিল ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ডলার। অন্যান্য সাইজের ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রেও গড় আয় ২০০৮ সালের তুলনায় বেশ কম রয়েছে এখন। সুতরাং বলা যায় অনেকের ধারণা থাকলেও সুপার সাইকেলের মতো পর্যায়ে যাওয়ার সম্ভাবনা এখন নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here