কোভিড-১৯ মহামারির জন্য কোনো শিল্পই প্রস্তুত ছিল না। এর আঘাত থেকে কেউ রেহাইও পায়নি। অদৃশ্য এই ভাইরাস একদিকে শিল্পের চাকা থামিয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে ব্যবসার ঝাঁপও নামিয়ে দিয়েছে। সীমান্ত যোগাযোগ ও বন্দরের কার্যক্রমও বন্ধ করে দিয়েছে ভাইরাসটি। সেই সাথে রয়েছে লাখো মৃত্যু ও কোটি কোটি মানুষের দুর্ভোগ-দুর্ভাবনা।
সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় এর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নৌপরিবহন শিল্পের ওপর। ক্রুজ শিপে ব্যাপক হারে সংক্রমণ সুবিধাজনক দেশের অধীনে জাহাজ নিবন্ধনের যে রেওয়াজ তার ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ফেলতে বাধ্য করেছে। আগে থেকেই ধুঁকতে থাকা এই শিল্পের জন্য নতুন বিপত্তি হয়ে দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলের দরপতন। সেই সাথে আইএমওর স্বল্পমাত্রার সালফারযুক্ত জ্বালানিনীতি বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ তো আছেই!
মহামারির কারণে জাহাজ চলাচল যে পুরোপুরি থামিয়ে দিতে হয়েছে, তেমন নয়। তবে সমস্যায় পড়তে হয়েছে বন্দরগুলোর জাহাজ ভিড়তে দেওয়ায় অস্বীকৃতি ও কোরারেন্টিন-সংক্রান্ত বিধানের কারণে। ফলে চুক্তির মেয়াদ শেষেও জাহাজিরা জাহাজ ছাড়তে পারেননি। এর মধ্যেই জাহাজে করোনাভাইরাসের সংক্রমণও বেড়েছে। ক্রুজ জাহাজগুলোয় সংক্রমণ তো ছিল রীতিমতো উদ্বেগজনক! অস্ট্রেলিয়ায় রুবি প্রিন্সেস ও জাপানে ডায়মন্ড প্রিন্সেসের কয়েকশ যাত্রী ও ক্রু কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হন। এ থেকে বুঝতে বাকি থাকে না যে, মহামারি মোকাবিলায় প্রস্তুতির কতটা ঘাটতি ছিল এই শিল্পের। বিভিন্ন দেশ ক্রুজ জাহাজকে তাদের বন্দরে ভিড়তে না দেওয়ায় সংক্রমণের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।
পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে উত্তরণ
বাণিজ্যিক ও পরিচালনগত-উভয় ক্ষেত্রেই মালিকদের পক্ষে জাহাজ চালিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন শিপ ম্যানেজাররা। তবে তাদের প্রধান কাজ জাহাজ চলাচল যাতে অব্যাহত থাকে, সেটি নিশ্চিত করা অথবা কলাম্বিয়া শিপ ম্যানেজমেন্টের সিইও মার্ক ও’নিলের ভাষায়, ‘প্রপেলারগুলো নিরাপদে ঘূর্ণায়মান রাখা’। ‘হার্টব্রেক রিজ’ মুভিতে কিèল্ট ইস্টউডের মতো শিপ ম্যানেজারকেও কৌশল আঁটতে হয়েছে, পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে হয়েছে, তারপর এ থেকে উত্তরণ মিলেছে। মহামারির মধ্যেও জাহাজ চলাচল যাতে সচল থাকে, সেজন্য অনেক বেশি নমনীয় হতে হয়েছে তাদের। প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করতে হয়েছে শক্তিশালী ও আগাম পরিকল্পনা। সবচেয়ে লক্ষণীয় যে বিষয়, তা হলো তাদেরকে শক্তিশালী ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গির নেতৃত্বের ভূমিকায় নামতে হয়েছে।
এর সাথে একমত থম শিপ ম্যানেজমেন্টের সিইও নর্টুন ওলাভ। আরো খানিক অগ্রসর হয়ে তিনি বলেন, শিপ ম্যানেজারদের মতোই একই চ্যালেঞ্চ মোকাবিলা করতে হয়েছে জাহাজ মালিকদেরও। তবে সবচেয়ে বড় যে সমস্যা, সেটি হলো নাবিক বদল করতে না পারা। এর ভুক্তভোগী হয়েছেন শিপ ম্যানেজারদের থেকে শুরু করে জাহাজ মালিক সবাই। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন এবং আইএমও বিভিন্ন দেশের সরকারের কাছে সিফেরারদের ‘কি ওয়ার্কার’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আর্জি জানাতে বাধ্য হয়েছে, যাতে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারা জাহাজ থেকে নামতে পারেন এবং দেশে ফেরার সুযোগ পান।
নাবিক বদল
মহামারির কারণে জাহাজে থাকা নাবিকরা একাধিকভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য সময় পর্যন্ত তাদের বেতন বাকি পড়েছে। জাহাজ থেকে নেমে যে ঘরে ফিরবেন, সে সুযোগও তারা পাননি। কারণ খুব কম সংখ্যক দেশই নাবিকদের গ্রহণ করেছে।
নাবিক প্রত্যাবর্তনের জন্য জাহাজ মালিক ও শিপ ম্যানেজারদের অনেকগুলো বিষয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কার্নিভাল ক্রুজ লাইনের আটকাপড়া ২৬ হাজার নাবিকের কথাই ধরুন। তাদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করার সাথে উত্তর ইউরোপ, ভূমধ্যসাগর, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন্সে জাহাজ পাঠানোর বিষয়টি জড়িত।
ডোমিনিকা মেরিটাইম সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেনরিক জেনসেন যেমনটা বলছিলেন, নাবিক বদলের সাথে জটিল যেসব বিষয় জড়িত, সবসময়ই যে সেগুলো এক রকম থাকে তা নয়। এজন্য জাহাজ মালিক ও শিপ ম্যানেজার উভয়কেই নমনীয় হতে হয়। নাবিক বদলের ব্যাপারে আমরা সবসময়ই তৎপর ছিলাম এবং এখনো আছি। এজন্য সব ধরনের বিকল্পই আমরা খতিয়ে দেখছি। জাহাজের রুট বরাবর কোনো বন্দর আছে কিনা, সেটা দেখা হচ্ছে। নাবিক বদলের জন্য উপযোগী কোনো বন্দর যদি পেয়ে যাই, সেক্ষেত্রে জাহাজটির অভিমুখ সেদিকে ঘুরিয়ে নেওয়া যায় কিনা, নিলে সেটা লাভজনক হবে কিনা সেসব নিয়ে জাহাজ মালিকদের সাথে আমরা আলোচনাও করছি।
বিএসএম ক্রুজ সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মার্টিন স্প্রিঙ্গার বলেন, বিশে^র সব বন্দর যখন একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় আমাদের গ্রাহক জার্মান ট্যুর অপারেটর ফিনিক্স রেইজেন তৎক্ষণাৎ সব যাত্রীকে বিমান ধরে নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানায়। তা সম্ভব না হলে যাত্রীসহ জাহাজটিকেই ফিরে আসতে বলা হয়। যদিও বিশ্বব্যাপী বন্দর বন্ধ ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা-সম্পর্কিত নতুন ঘোষণা আসার পর পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যায়।
ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের (আইটিএফ) হিসাবমতে, নাবিক বদলে জটিলতার কারণে বিপুল সংখ্যক সিফেরারকে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কাজ চালিয়ে যেতে হয়। ২০২০ সালের মধ্য জুন পর্যন্ত এ ধরনের সিফেরারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩ লাখ। কাজের বাইরে থাকা সমসংখ্যক সিফেরার নতুন করে জাহাজে যোগদানের অপেক্ষায় ছিলেন। সুতরাং বলা যায়, নাবিক বদলে বাধা সৃষ্টিকারী কোভিড-১৯-সংক্রান্ত ভ্রমণ বিধিনিষেধ ও সরকারের অন্যান্য নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ছয় লাখ নাবিক।
আইটিএফের মহাপরিচালক স্টিফেন কটনের ভাষায়, তিন লাখ সিফেরার জাহাজে আটকা পড়েন, যারা ঘরে ফিরতে মরিয়া। আরো তিন লাখ সিফেরারকে আর্থিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয় জাহাজে যোগ দিতে না পারার কারণে। আইটিএফ সিফেরার শাখার প্রধান ডেভ হেইন্ডেল এর সাথে যোগ করে বলেন, মেরিটাইম শিল্পে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখতে না চাইলে সরকারগুলোকে অবশ্যই এ বিষয়ে ভূমিকা পালন করতে হবে। জরুরি পদক্ষেপ এ মুহূর্তে খুব বেশি দরকার।
মানসিক চাপ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
নাবিক বদল না করতে পারার প্রভাব মেরিটাইম শিল্পে কতটা বিপদ ডেকে আনতে পারে সে-সম্পর্কে কিছু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন ভি. গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক ম্যাট ডানলপ। তিনি বলেন, নাবিকদের ওপর চাপ দীর্ঘায়িত হলে সাগরে থাকা জাহাজ মারাত্মক দুর্ঘটনায় পড়তে পারে। কারণ আইএমওর উপাত্তই বলছে, সাগরে দুর্ঘটনার ৮০ শতাংশ ঘটে মানুষের ভুলে। দুর্বল মানসিক স্বাস্থ্য, অবসাদ ও চাপ সিফেরারদের দৈনন্দিন কাজে বিঘ্ন ঘটানোর জন্য যথেষ্ট। জাহাজ নিরাপদে চলবে নাকি দুর্ঘটনার মুখে পড়বে, এসবের ওপরই তা নির্ভর করে।
চাপ থেকে মুক্তি পেতে একজন সিফেরার নিজেকে তার কেবিনে বন্দি করে রাখতে পারেন। কিন্তু এতে চাপ কমবে না। বরং তিনি আরো বেশি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়বেন এবং তার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে; বিশেষ করে বাড়ি থেকে কোনো খারাপ খবর শুনলে এবং তাতে সাহায্য করতে না পারার যন্ত্রণা থেকে। তাই জাহাজ মালিক ও ম্যানেজার সবারই উচিত সিফেরাররা যাতে ভালো থাকেন, সেদিকে মনোযোগ দেওয়া। কারণ সিফেরারের দুর্বল শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য জাহাজকে বড় কোনো দুর্ঘটনায় ফেলে দিতে পারে।

এর সাথে আরো কিছু তথ্য যোগ করেন গ্রেস্টোক শিপ ম্যানেজমেন্টের রবার্ট হেডলি। তিনি বলেন, এই মহামারি আমাদেরকে যেসব শিখিয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সিফেরারদের কল্যাণকে উপেক্ষা না করা। সবসময় মনে রাখতে হবে, সিফেরাররাই আপনার সম্পদ। অতীতে বহু জাহাজ মালিক ও ম্যানেজারকে আমরা দেখেছি সিফেরারদের দায়মুক্তি দিতে। কারণ নাবিক শুধু একটা উপাধি নয়, তারাই মূল শক্তি।
সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন
সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ও লকডাউন জাহাজ পরিচালনাকে ব্যাহত করেছে। বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশই পরিবাহিত হয় জাহাজে। নাবিক বদলে অসমর্থ হলে বন্দরে পণ্যজট তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। কোভিড-১৯ মহামারিতে তার প্রমাণও পাওয়া গেছে।
নর্টুন বিষয়টার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, জাহাজের যন্ত্রাংশ সরবরাহ ও মেশিনারির সার্ভিসিংয়ের নিরিখে দেখলে ড্রাইডক ও মেরামত কারখানার সংকট দেখা দিয়েছে। নিরীক্ষা, জরিপ ও পরিদর্শনের জন্য সার্ভেয়াররা জাহাজে উঠতে পারেননি। এই সমস্যার সমাধানে বিকল্প ব্যবস্থার দিকে হাঁটতে হয়েছে।
তবে সরবরাহ ব্যবস্থার এই যে বিঘ্ন, তা কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অবদান রেখেছে দূর যোগাযোগ পদ্ধতি। সিফেরারদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রেও কাজে দিয়েছে এটি। এর মধ্যে আছে দূর থেকে নিরীক্ষা, জরিপ, পরিদর্শন এবং আউটব্রেক ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান ও সব নাবিকের পিপিই পরিধানের বিষয়ে মাস্টার, প্রধান প্রকৌশলী, অন্যান্য নাবিকের দূর থেকে জানানো।
বিভিন্ন দেশের পদক্ষেপ
যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে নাবিক বদল নিয়ে ভার্চুয়াল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় চলতি বছরের গোড়ার দিকে এবং সেখানে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্তও হয়। সম্মেলনে পরিষ্কারভাবে বলা হয়, সিফেরারদের চুক্তি অব্যাহতভাবে বর্ধিত করা যাবে না। মেরিটাইম লেবার কনভেনশন (এমএলসি) ২০০৬ নির্ধারিত ১২ মাসের নিচেই রাখতে হবে চুক্তির মেয়াদ। এক্ষেত্রে মানবাধিকার ও নাবিক কল্যাণ এবং নীতিমালা-সংক্রান্ত ইস্যু তো আছেই। একই সাথে আছে নাবিকদের অবসাদগ্রস্ততা ও দুর্বল মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে জাহাজের বড় ধরনের দুর্ঘটনায় পড়ার ঝুঁকিও।
এর আাগে ১৩টি দেশ সিফেরারদের ‘কি ওয়ার্কার’ অত্যাবশ্যকীয় কর্মী হিসেবে স্বীকৃতিদানেও সম্মত হয়। দেশগুলো হলো ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, ইন্দোনেশিয়া, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, ফিলিপাইন্স, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
মহামারির শিক্ষা
অন্যান্য শিল্পের মতো মেরিটাইম শিল্পকেও অনেক কিছু শিখিয়েছে এই মহামারি। মহামারি ও এর প্রভাব মোকাবিলা করতে গিয়ে একটা বিষয় খুব ভালোমতোই খোলাসা হয়ে গেছে; তা হলো কার্যক্রম চালিয়ে রাখতে গেলে অনলাইন পদ্ধতির শরণাপন্ন হওয়ার বিকল্প নেই। এটা এখন অভ্যাসে পরিণত করা উচিত। কারণ নাবিক ও জাহাজকে উল্লেখযোগ্য সময় পর্যন্ত সাগরেই থাকতে হয়। নাবিক কল্যাণ, আপৎকালীন পরিকল্পনা সেই সাথে কর্মতৎপর ও নমনীয় হওয়াটা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নর্টুন মহামারির শিক্ষাকে সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন এভাবে: কোভিড-পরবর্তী শিপ ম্যানেজমেন্টের টেকসই ভবিষ্যৎই দেখতে পাচ্ছি। বিশ্বব্যাপী মহামারির মধ্যে তার নিদর্শন আমরা রেখেছিও। একটা সময় তো বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ মানুষই অন্তরীণ হয়ে পড়েছিল। তবে দেশগুলো তাদের পণ্য সময়মতো যাতে হাতে পায়, সেজন্য শিপ ম্যানেজাররা এখনো দক্ষভাবে জাহাজ ব্যবস্থাপনা করে যাচ্ছেন।
মহামারির মধ্যে দেশগুলো যাতে ওষুধ, জ্বালানি ও খাদ্যের মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের ঘাটতিতে না পড়ে, সেজন্য শিপ ম্যানেজাররা এখন পর্যন্ত বন্দরে জাহাজ ভেড়া নিশ্চিত করে চলেছেন। এটা করতে হচ্ছে বেশকিছু অনিশ্চয়তাকে সাথে নিয়েই। বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে চুক্তির মেয়াদ শেষেও জাহাজ সচল রাখার মাধ্যমে জাহাজিরাও এক্ষেত্রে ভূমিকা রেখে চলেছেন।