চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় বাস্তবায়নের জন্য নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ৩ মার্চ অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
‘ইকুইপ, অপারেট অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স অব পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল’ শীর্ষক প্রকল্পটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়িত হবে। প্রাক-সমীক্ষা অনুযায়ী প্রকল্পটির সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বার্ষিক পরিচালন ব্যয় ৮ মিলিয়ন ডলার।
চট্টগ্রাম বন্দর দেশের বৃহত্তম এবং ব্যস্ততম বন্দর। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই বন্দর। নির্মাণাধীন পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল এই বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং বন্দরের লজিস্টিক সক্ষমতা বাড়াবে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী সভায় প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং প্রকল্পটি পিপিপির আওতায় বাস্তবায়নে অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব করেন। পিপিপি কর্তৃপক্ষের সিইও সুলতানা আফরোজ বলেন, ‘পিপিপির আওতায় প্রকল্পটির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বেসরকারি অংশীদারের মাধ্যমে পরিচালিত হলে আধুনিক প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবলের মাধ্যমে এই কনটেইনার টার্মিনালের আউটপুট বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।’
সভায় জানানো হয়, চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইনসহ বিশে^র বিভিন্ন দেশে একই ধরনের পিপিপি প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। আগ্রহী বিদেশি অনেক বিনিয়োগকারী এই প্রকল্পের বিষয়ে পিপিপি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
বর্তমানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন সাতটি পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।