বার্জ বাল্ক ও ইয়ারা মেরিনের মধ্যে নতুন চুক্তি

ড্রাই বাল্ক ওনার বার্জ বাল্ক ও ইয়ারা মেরিন টেকনোলজিসের মধ্যে পার্টনারশিপ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এবার সেই সম্পর্ক আরও মজবুত করতে নতুন একটি চুক্তি করেছে তারা, যার অধীনে বার্জ বাল্কের জাহাজে আরও বেশি সংখ্যক ইন-লাইন স্ক্রাবার ইনস্টল করবে ইয়ারা মেরিন।

এরই মধ্যে বার্জ বাল্কের প্রায় ৩০টি ক্যারিয়ারে ইয়ারা মেরিনের ইন-লাইন স্ক্রাবার ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন চুক্তিটির মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগে কোম্পানি দুটির অভিন্ন অবস্থান ফুটে উঠেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিআরএস, ডেল্টামেরিন ও ব্যুরো ভেরিতাসের মধ্যে অংশীদারিত্ব চুক্তি

বিশ^জুড়ে জাহাজ মালিকদের কার্যকর শিপ পারফরম্যান্স ও জ¦ালানি রূপান্তরের সলিউশন প্রদানের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিপব্রোকার বিআরএস, ডেল্টামেরিন ও ব্যুরো ভেরিতাস।

তাদের এই পার্টনারশিপের মূল লক্ষ্য হলো জাহাজ মালিকরা যেন তাদের জাহাজের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন, যাচাই ও উন্নত করতে সক্ষম হয়, সেজন্য একটি পাথওয়ে ও টুলস সরবরাহ করা। অংশীদারিত্বের অধীনে ডেল্টামেরিন অপ্টিমাইজেশন সলিউশনসের ক্যালকুলেশন ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজ করবে। বিআরএস দেখবে আর্থিক পারফরম্যান্স ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি।

নতুন তিন জাহাজ নিয়ে ২০২১-২২ মৌসুম শুরু করবে কস্তা ক্রুজেস

২০২১-২০২২ মৌসুমে আকর্ষণীয় সব ভ্রমণ অফার নিয়ে নতুন উদ্যমে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ইতালীয় কোম্পানি কস্তা ক্রুজেস। ভূমধ্যসাগর, ক্যারিবীয় অঞ্চল, আমিরাত ও দক্ষিণ আমেরিকায় ক্রুজ শিপিংয়ে নতুন সব ফিচার যোগ করেছে তারা।

যাত্রীদের প্রমোদভ্রমণ আরও আনন্দপূর্ণ করতে কস্তা ক্রুজেস ২০২২ সালের বসন্ত থেকে নতুন তিনটি ইনোভেটিভ শিপ নিজেদের বহরে যোগ করবে। কস্তা ফিরেঞ্জা, কস্তা তোসানা ও কস্তা স্মেরালদা নামের নতুন জাহাজগুলো ভূমধ্যসাগরে ক্রুজ সেবা দেবে।

উপকূলীয় মৎস্য আহরণের আইনে সংশোধন আনছে রাশিয়া

ফিশারি ও জলজ জীবসম্পদের সুরক্ষায় করা একটি ফেডারেল আইনের উপকূলীয় মৎস্য আহরণ রেগুলেশনে সংশোধন আনছে রাশিয়ার ফেডারেল কাউন্সিল। সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত একটি খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে।

বিদ্যমান আইনে রাশিয়ায় উপকূলীয় সমুদ্রসীমায় কেবল জীবন্ত/তাজা সামুদ্রিক জৈবসম্পদ পরিবহন, সংরক্ষণ ও আনলোড করার অনুমতি দেওয়া আছে। কিন্তু কিছু ফিশারি বেসিন রয়েছে, যেখানে যেতে আসতে অনেকটা সময় লেগে যায়। এ কারণে আহরিত জৈবসম্পদের প্রাথমিক প্রক্রিয়াজাতের সুযোগ চাইছিলেন মৎস্যজীবীরা। নতুন সংশোধনীতে সেই সুযোগই রাখা হয়েছে। 

মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্টেশনে পার্টনারশিপে যাচ্ছে ফেসকো-জেফকো

রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর মধ্যে মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্টেশন চালু করতে যৌথভাবে কাজ করবে ফেসকো ট্রান্সপোর্টেশন গ্রুপ ও জেফকো গ্রুপ। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক ফেরামে এ বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

কোম্পানি দুটি জেনারেল, কনটেইনারাইজড, ওভারসাইজড ও প্যাকেজড কার্গো বিভিন্ন এলাকায় পরিবহনের জন্য এই মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্টেশন সুবিধা চালু করবে। এক্ষেত্রে তাদের বিশেষ নজর থাকবে দূরপ্রাচ্যের দিকে। আন্তর্জাতিক বড় ক্লায়েন্টদেরও সেবা দেবে তারা।

পিইআরএস সনদ পেল নর্থ সি পোর্ট

নর্থ সি পোর্ট সম্প্রতি ইউরোপিয়ান সি পোর্টস অর্গানাইজেশনের (এএসপিও) কাছ থেকে পিইআরএস সনদ অর্জন করেছে। এর অর্থ হলো, টেকসই পরিবেশ ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের জন্য ইউরোপের যেসব বন্দর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে, সেই তালিকায় নর্থ সি পোর্টের নামটিও যোগ হচ্ছে।

বিশ্বের প্রথম ক্রস-বর্ডার ও ফ্লেমিশ পোর্ট হিসেবে পিইআরএস সনদ পেল নর্থ সি পোর্ট। গত কয়েক বছর ধরে টেকসই পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে যে কাজ করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ, তারই স্বীকৃতি হিসেবে এ সনদ পেল তারা।

নতুন ১২টি কনটেইনার শিপের কার্যাদেশ দিয়েছে এইচএমএম

২০৩০ সাল নাগাদ কনটেইনার শিপিং দ্বিগুণে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে দক্ষিণ কোরীয় সরকার। এর ধারাবাহিকতায় দেশটির শিপিং কোম্পানি এইচএমএম ১৩ হাজার টিইইউ ধারণক্ষমতার নতুন ১২টি কনটেইনার শিপের কার্যাদেশ দিয়েছে। দাইয়ু শিপবিল্ডিং অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং (ডিএসএমই) ও হুন্দাই হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ (এইচএইচআই) এই জাহাজগুলো তৈরি করবে।

জাহাজগুলো নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫৭ কোটি ডলার। এর মধ্যে হুন্দাই ৭৮ কোটি ৮০ লাখ ও দাইয়ু ৭৮ কোটি ২০ লাখ ডলারের কার্যাদেশ পেয়েছে।

মিশন ইনোভেশনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে আইসিএস

পরিচ্ছন্ন জ¦ালানির বৈশ্বিক উদ্যোগ মিশন ইনোভেশন সম্প্রতি ‘মিশন ফর শিপিং’-এর ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে ২০৩০ সাল নাগাদ বৈশি^ক ডিপ-সি ফ্লিটের ৫ শতাংশ জাহাজকে নিঃসরণমুক্ত জ্বালানি দ্বারা চালিত করার লক্ষ্যমাত্রার কথা বলা হয়েছে। শিপ অপারেটরদের বৈশি^ক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব শিপিং (আইসিএস) এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

মিশন ফর শিপিংয়ে সরকারি-বেসরকারি খাতে কার্বনমুক্ত প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়নে গতি আনার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। আইএমওর নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বিষয়টি খুবই জরুরি বলে আইসিএস মত দিয়েছে।

সেন্ট্রাল আর্কটিকে মৎস্য আহরণ নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক চুক্তি কার্যকর

সেন্ট্রাল আর্কটিক ওশানের হাই সিজ অঞ্চলে অনিয়ন্ত্রিত মৎস্য আহরণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে যে আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল, তা কার্যকর হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে আগামী ১৬ বছর এ অঞ্চলে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো কর্তৃক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মৎস্য আহরণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

উত্তর মহাসাগরের হাই সিজ অঞ্চলে বরফের আস্তরণ বর্তমানে সংকোচনের পর্যায়ে রয়েছে, যা বাণিজ্যিক মৎস্য আহরণের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কিন্তু এই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানতে হলে এটি নিয়ন্ত্রণে আনা দরকার। সেই লক্ষ্যেই চুক্তিটি কার্যকর করা হয়েছে।

নতুন ক্লাস নোটেশন চালু করেছে কোরিয়ান রেজিস্টার

কনটেইনার সিকিউরিং ডিভাইসের জন্য নতুন ক্লাস নোটেশন চালু করেছে কোরিয়ান রেজিস্টার। উত্তাল সাগরে কনটেইনার হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে। এ কারণে কনটেইনার শিপ পরিচালনায় একাধিক নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি হয়ে পড়েছে।

এই পরিপ্রেক্ষিতে কোরিয়ান রেজিস্টার কনটেইনার সিকিউরিং ডিভাইসের জন্য প্রডাক্ট টেস্ট রুলস জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে তারা হাই হোল্ডিং টুইস্টলক (এইচএইচটি)  ও হাই হোল্ডিং সিকিউরিং (এইচএইচএস) নামে দুটি ক্লাস নোনটেশন চালু করেছে।

অফশোর উইন্ডের পাওয়ারহাউস হতে পারে অস্ট্রেলিয়া

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে দেশে দেশে অফশোর উইন্ড ফার্মের কদর বাড়ছে। তবে অস্ট্রেলিয়া এতদিন এই প্রযুক্তির দিকে খুব একটা নজর দেয়নি। অথচ এই দেশটিরই অফশোর উইন্ডের পাওয়ারহাউস হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমনটাই জানানো হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিস্তীর্ণ উপকূল জুড়ে বাতাসের গতিপ্রবাহ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট সম্ভাবনাময়। সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দশটির বেশি প্রস্তাবিত অফশোর উইন্ড ফার্ম প্রকল্প বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে। এগুলোর মিলিত সক্ষমতা অস্ট্রেলিয়ার সব কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চেয়ে বেশি হবে।

ভারতে নাবিকদের করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রমে গতি

করোনার দ্বিতীয় প্রবাহ সামাল দিতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত সরকার। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় নাবিকদের করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রমে গতি আনছে তারা।

বিশ্বজুড়ে মেরিটাইম খাতে ক্রু সরবরাহে ভারতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এ অবস্থায় নাবিকদের পরবর্তী শিডিউলড ডিপ্লয়মেন্টের আগেই তাদের টিকা প্রদান সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ভারতের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে বেশ জোরেশোরে এই কার্যক্রম চলছে। এগুলো হলো- মুম্বাই, কোচি, চেন্নাই, বিশাখাপত্তনম, কলকাতা ও থুথুকুড়ি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here