গালফ অব গিনি ডিক্লারেশন অন সাপ্রেশন অব পাইরেসিতে প্রায় সাড়ে তিনশ স্বাক্ষর জমা পড়েছে। বাল্টিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম কাউন্সিল (বিমকো) জানিয়েছে, বিশ্বের শীর্ষ তিন ফ্ল্যাগ স্টেট, প্রথম সারির জাহাজের মালিক কোম্পানি, শীর্ষ শিপিং অ্যাসোসিয়েশন, ইউক্রেন থেকে শুরু করে নাইজেরিয়ার বিভিন্ন আঞ্চলিক কোম্পানি ও ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম এই উদ্যোগে যোগ দিয়েছে।

বিমকোর আহ্বানে গত ১৭ মে জাহাজের মালিকদের একটি গ্রুপ গালফ অব গিনি ঘোষণাপত্রের খসড়া তৈরি করে। এর মূল লক্ষ্য হলো গিনি উপসাগরে জলদস্যুতার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সেই বিষয় নিয়ে কথা বলা এবং একটি কার্যকর সমাধান খুঁজে পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের একত্র করা।

বিমকোর মহাসচিব ও প্রধান নির্বাহী ডেভিড লুসলি বলেছেন, ‘গালফ অব গিনি ডিক্লারেশনে স্বাক্ষরকারীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ফলে আমরা এমন আশা করতেই পারি যে, নাবিকদের আর দায়িত্ব পালনকালে নিজেদের জীবন নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।’

বর্তমানে গালফ অব গিনি ঘোষণাপত্রে মোট স্বাক্ষরকারীর সংখ্যা ৩৪২। শিগগির তা সাড়ে তিনশ ছুঁয়ে ফেলবে বলে আশা করা যায়। এতে স্বাক্ষরকারী সংস্থাগুলোর অন্যতম ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বলছে, শিল্প খাতে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে, তাদের জন্য মানুষ ও পণ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করাটা অবশ্য করণীয় একটি বিষয়।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে বিশ্ব জুড়ে মোট ১৩৫ জন ক্রুকে তাদের জাহাজ থেকে অপহরণ করা হয়েছে। এর ৯৫ শতাংশ ঘটনাই ঘটেছে গিনি উপসাগরে। ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরকারীরা ২০২৩ সাল নাগাদ জলদস্যুর হামলার ঘটনা অন্তত ৮০ শতাংশ কমিয়ে আনতে চাইছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here