কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটি এত দিন ছিল কেবল একটি জেটি। সেখানে বিদ্যুকেন্দ্রের নির্মাণসামগ্রী নিয়ে ভিড়তে পারত একটি জাহাজ। এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে আরও একটি নতুন জেটি। এখন থেকে মাতারবাড়ীর দুই জেটিতে একসঙ্গে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ ভিড়তে পারবে। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের পথে এটি একটি বড় মাইলফলক।

২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাহাজ প্রবেশের জন্য নির্মিত চ্যানেল দিয়ে প্রথমবার প্রবেশ করে বাণিজ্যিক জাহাজ। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করেছিল মাতারবাড়ী চ্যানেল। মূলত মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য নির্মিত হেভি লিফট বা ভারী কার্গো নামানোর জন্য এই জেটি ব্যবহৃত হচ্ছিল। এরপর থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ১৭টি বাণিজ্যিক জাহাজ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণসামগ্রী নিয়ে জেটিতে ভেড়ে।

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রে এত দিন ছিল কেবল একটি জেটি। এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে আরও একটি নতুন জেটি। এখন থেকে মাতারবাড়ীর দুই জেটিতে একসঙ্গে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ ভিড়তে পারবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সহকারী হারবার মাস্টার আতাউল হাকিম সিদ্দিকী বলেন, ‘গত ছয় মাসে ১৭টি বাণিজ্যিক জাহাজ কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে ভিড়েছে। নতুন একটি জেটির ১৫০ মিটার পর্যন্ত নির্মিত হয়েছে। সেখানেই আমরা জাহাজ ভেড়াতে সক্ষম। ১৪ ও ১৫ জুলাই দুটি জেটিতে দুটি জাহাজ ভেড়ে। দুটি জাহাজই বিদ্যুকেন্দ্রের নির্মাণসামগ্রী নিয়ে আসে।’

কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের আগে প্রস্তুত হয়েছে আড়াই শ মিটার প্রস্থ, ১৮ মিটার গভীরতা এবং ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ চ্যানেল। এই চ্যানেল বা প্রবেশপথ দিয়েই বঙ্গোপসাগর থেকে জাহাজ বন্দর জেটিতে প্রবেশ করছে। গভীর সাগর থেকে জাহাজগুলো চ্যানেল দিয়ে জেটিতে প্রবেশের জন্য বসানো হয়েছে পথনির্দেশক বয়। প্রবেশ চ্যানেলের সক্ষমতা আরও বেশি থাকলেও এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৯ মিটার গভীরতা বা ড্রাফট এবং ১৩৫ মিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যরে জাহাজ জেটিতে প্রবেশ করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here