কম সময়ে এবং কম খরচে আমদানি করা কাঁচামাল বন্দর থেকে নদীপথে কারখানায় নেওয়ার জন্য লাইটার জাহাজ কিনেছেন শিল্পোদ্যোক্তারা। প্রায় এক দশক আগে নিজস্ব লাইটার জাহাজে পণ্য পরিবহনে সুফল পাওয়ার পর একের পর এক শিল্প গ্রুপ এই খাতে বিনিয়োগ করেছে। তবে এখন নিজেদের আমদানি পণ্যের শতভাগ নিজেদের জাহাজে পরিবহন করতে পারবেন না শিল্পোদ্যোক্তারা। নিজেদের আমদানি পণ্যের ৫০ শতাংশ পরিবহন করতে হবে ভাড়া করা জাহাজে।

নৌপরিবহন অধিদপ্তর ২৫ আগস্ট জরুরি নৌ-বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, তাতে পরোক্ষভাবে এমন নির্দেশনা রয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় বড় জাহাজ থেকে আমদানি পণ্য নৌপথে পরিবহনের জন্য ২০১৩ সালের নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। আদেশ অমান্যকারী নৌযান মালিক, মাস্টার ও নাবিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়।

ওই নীতিমালার ৫ দশমিক ৯ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সিমেন্ট কারখানার আমদানি করা কাঁচামালের ৫০ শতাংশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের নিয়ন্ত্রণাধীন জাহাজের মাধ্যমে পরিবহন করতে হবে। অর্থাৎ নিজেদের জাহাজ বসিয়ে রেখে হলেও ভাড়া করা জাহাজে ৫০ শতাংশ পণ্য পরিবহনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মো. মনজুরুল কবীর বলেন, নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য নতুন এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ বা নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কনটেইনারবিহীন জাহাজে যত পণ্য আমদানি হয়, তার ৮০ শতাংশই নদীপথে পরিবহন হয়। যার বড় অংশই শিল্পোদ্যোক্তা ও আমদানিকারকেরা নিজস্ব জাহাজে পরিবহন করে। তাতে খরচ কম পড়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here