পুলিশের পাহারায় বন্দরে পণ্য আনা নেওয়ার উদ্যোগ বিজিএমইএর

পণ্য রপ্তানির প্রধান গেটওয়ে চট্টগ্রাম বন্দর। ফাইল ছবি

পরিবহন ধর্মঘটের প্রথম দিন শুক্রবার চট্টগ্রাম বন্দরে রপ্তানি পণ্য প্রবেশ এবং নামানো হয়েছে। শনিবার (৬ নভেম্বর) ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন কঠোর অবস্থানে ছিলেন পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। চট্টগ্রাম বন্দরের জেটির প্রবেশ মুখে এবং বেসরকারি ডিপোগুলোর গেটে অবস্থান নিয়ে কোনো ট্রাক কিংবা লরি বন্দরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ফলে বন্দরে কোনো ধরনের রপ্তানি পণ্য প্রবেশ করতে পারেনি। এ অবস্থায় পুলিশের প্রহরায় রপ্তানি পণ্য আনা-নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বিজিএমইএ। রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছেন রপ্তানিকারকরা।

পরিবহন ধর্মঘটের প্রথম দিন শুক্রবার চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন জেটিতে জাহাজ থেকে আমদানি পণ্যের কনটেইনার নেমেছে প্রায় পাঁচ হাজার। এর মধ্যে ১৫০ কনটেইনার বিভিন্ন ডিপোতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে (রেল ওয়াগন, ট্রাক, লরি ও জাহাজে) এক হাজার ২০০ কনটেইনার।

বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এমন আত্মঘাতী ধর্মঘটের জোর প্রতিবাদ জানাই। বন্দরের সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা যখন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হচ্ছিল তখন এমন ধর্মঘটের কারণে আবারও পণ্য খালাসে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যারা রপ্তানিকারক যথাসময়ে আমদানি পণ্য খালাস ও রপ্তানি পণ্য ডেলিভারি না দিতে পারলে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ব। দুই-তিন দিনের মধ্যে কনটেইনার বন্দরে পৌঁছাতে না পারলে ভেসেল মিস করব। এতে বায়ার পণ্য পেতে এক সপ্তাহ দেরি হলে পণ্যে ডিসকাউন্ট, অর্ডার বাতিল কিংবা বিমানে পণ্য পাঠানোর চাপও আসতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিজিএমইএর উদ্যোগে পুলিশ প্রহরায় কনটেইনার পরিবহনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমরা এরই মধ্যে আমাদের সদস্যদের মেসেজ দিয়েছি, কারো আমদানি কিংবা রপ্তানি পণ্যের কনটেইনার প্রস্তুত থাকলে তা আমাদের জানাতে।’ বিজিএমইএকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত হয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here