বিশ্বে মোট বায়ুবিদ্যুতের ৫৫% আসে অফশোর প্রকল্প থেকে

চলতি বছরের দ্বিতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ছে বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি মোকাবিলার অংশ হিসেবে এসব প্রকল্প গ্রহণ করছে বিভিন্ন দেশ। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যে পরিমাণ বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে, তার ৫৫ শতাংশ আসে গভীর সমুদ্র বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো থেকে। বাকি ৪৫ শতাংশ উৎপাদিত হয় উপকূলীয় বিভিন্ন প্রকল্পে। মার্কিন ক্রেডিট রেটিং প্রতিষ্ঠান ফিচ সলিউশনসের এক প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের শেষ নাগাদ বিশ্বব্যাপী বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ৩২০ গিগাওয়াট। বর্তমানে এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২৩ গিগাওয়াটে। এর মধ্যে ইউরোপীয় অঞ্চলে সর্বোচ্চ ১৯০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে।

বিশ্বব্যাপী জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাইরে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা। ২০২০ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে এ ধরনের বিদ্যুৎ প্রকল্প বৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৭২ শতাংশ।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে বায়ু ও সৌরবিদ্যুতের অংশ ১২ শতাংশ। ২০৩০ সালের মধ্যে এই অংশীদারিত্ব ২২ শতাংশে পৌঁছতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের সংখ্যা উপকূলীয় বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের তুলনায় বেশ বেড়েছে। মোট বায়ুবিদ্যুতের ৫৫ শতাংশ সংগ্রহ করা হয় অফশোর প্রকল্পগুলো থেকে।

ফিচের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে চলমান অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর আর্থিক মূল্য ৩০ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। পরিকল্পনায় রয়েছে আরো ১ হাজার ৩১৬টি প্রকল্প। উত্তর আমেরিকা ও পশ্চিম ইউরোপীয় অঞ্চল বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পে শীর্ষস্থানে যাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এশিয়া অঞ্চলেও বেশ কয়েকটি বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প চালুর অপেক্ষায় রয়েছে বলে ফিচের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here