বন্দরে কোভিডজনিত বিধিনিষেধ কঠোর করেছে চীন

বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার বাধা জটিলতা পারে

চলতি বছর ধীরে ধীরে বাধা কাটিয়ে উঠছিল বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা। সংক্রমণ কমে আসা ও বিস্তৃত টিকাদান কার্যক্রম এক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছে। তবে বছরের শেষ দিকে এসে কোভিডের নতুন ধরন আবারও চাপ সৃষ্টি করেছে। ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে চীনা সরকারের কঠোর নীতি বন্দরগুলোয় চাপ সৃষ্টি করেছে। এমন পদক্ষেপে এরই মধ্যে বিপর্যস্ত অবস্থায় থাকা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা আরও ভয়াবহতায় রূপ নিতে পারে।

চীন সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে- চীনা বন্দরে ডকিংয়ের আগে পণ্যবাহী জাহাজের ক্রু সদস্যদের করোনা পরীক্ষা করতে হবে এবং সংক্রমিত পাওয়া গেলে জাহাজে থাকা প্রত্যেককে কমপক্ষে ১৪ দিন কোয়ারেন্টইনে থাকতে হবে। এসব ক্ষেত্রে জাহাজগুলোকে উপকূলের অদূরে নোঙর স্থানগুলোয় কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। এ ব্যবস্থায় বন্দরে জট তৈরি হয়েছে এবং বন্দরে জাহাজগুলোর আগমনে বিলম্ব হচ্ছে। নভেম্বরের শেষ দিকে ওমিক্রন প্রাদুর্ভাবের পর চীন কাজ থেকে ফিরে আসা ক্রু সদস্যদের জন্য বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের সময় আগের ছয় সপ্তাহের পরিবর্তে সাত সপ্তাহে উন্নীত করা হয়েছে। ফলে ক্রু ঘাটতি ও কর্মীদের সময়সূচির ক্ষেত্রে ভয়াবহ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি বেইজিংয়ের স্টেট কাউন্সিল জানিয়েছে, তারা ক্রু বিনিময় প্রোগ্রামগুলোয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো কঠোর করবে। এর মধ্যে রয়েছে, আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে চীনে আসার আগে সব ক্রু সদস্যের একটি বিদেশী বন্দরে কোভিড পরীক্ষা করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here