করোনার মধ্যেই দেশের সুতা খাতে বিনিয়োগ হয়েছে ৬ হাজার কোটি টাকা। এ অর্থ বিনিয়োগ হয়েছে ২৬টি নতুন কারখানা স্থাপনে। দেশে তৈরি পোশাক শিল্পের চাহিদার প্রেক্ষিতেই সুতায় বিনিয়োগ বাড়ছে বলে জানান খাত সংশ্লিষ্টরা।
করোনায় থমকে যাওয়া বিভিন্ন খাত আবারও সচল হতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে বাড়ছে রপ্তানি আদেশও। গার্মেন্টস খাতের অন্যতম অনুষঙ্গ সুতা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক নানা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও বাড়ছে তৈরি পোশাক রপ্তানি, তাই প্রশস্থ হচ্ছে সুতার বাজারও। চাহিদা বাড়ায় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে ২০২১ সালেই প্রায় ২৬টি কারখানা নতুন করে স্থাপন করা হয়। এ নিয়ে এ খাতে কারখানা দাঁড়িয়েছে ৫০০টির বেশি।
নিটওয়্যার সেক্টরের ৯০ শতাংশ চাহিদা দেশিয় সুতা প্রতিষ্ঠানগুলো যোগান দিয়ে থাকে। বার্ষিক উৎপাদন প্রায় ২ মিলিয়ন টন। প্রাকৃতিক সুতার পাশাপাশি তাই কৃত্রিম তন্তুর থেকে উৎপাদিত সুতার দিকেও মনোযোগ উদ্যোক্তাদের। আশা আগামীর রপ্তানির বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা। লক্ষ্য ২০২৫ সালের মধ্যে বিনিয়োগ ২০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া।
সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দ্রুতই সুতা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারবে দেশ। তবে আপাতত ওমিক্রনের ধাক্কা সামলানোই বড় চ্যলেঞ্জ, এমনটাই মত খাত সংশ্লিষ্টদের।