করোনার দ্বিতীয় ডেউয়ের সংক্রমণ কমার পর গত বছরের জুন-জুলাই থেকে আমদানি-রপ্তানির গতি ফিরেছে আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় অধিক হারে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে দেশের রাজস্ব আহরণে। এতে বেশি ভূমিকা রেখেছে আমদানি খাত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে আমদানি বেড়েছে ৫৪ শতাংশ। এ ছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে রাজস্ব আদায় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১৪ দশমিক ২২ শতাংশ। টাকার অঙ্কে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে শুল্ক আদায়ে। এই সময়ে এককভাবে কাস্টমস ডিউটি আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয় প্রায় ২০ শতাংশ।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তৈরি করা প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, গত ছয় মাসে এর আওতাধীন কাস্টম হাউস ও স্টেশনগুলো আদায় করেছে ১ লাখ ২৬ হাজার ২০৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে কাস্টমস ডিউটি ছাড়াও ভ্যাট ও আয়কর আদায় বেড়েছে যথাক্রমে ৯ দশমিক ৫৪ ও ১৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
গত বছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ শতাংশেরও কম। আলোচ্য সময়ে কাস্টমস ডিউটি, ভ্যাট ও আয়কর আদায়ে প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ৬ দশমিক ৭৭, ১ দশমিক ১৬ ও ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। সে তুলনায় প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আদায় কম হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা।
দেশের আদায়কৃত শুল্কের বেশিরভাগই আসে দুইটি বন্দর দিয়ে। আর এর রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রম পরিচালনা করে বেনাপোল কাস্টম হাউস ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস।