ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে দেশের অর্থনীতির আকার প্রথমবারের মতো এক ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল। প্রবাসী আয় এবং রপ্তানিতে গতি ফেরায় এই প্রবৃদ্ধি বলছে সংস্থাটি। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরে শুধু ভারতকে পেছনে ফেললেও, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি অর্জনে গোটা বিশ্বকে বাংলাদেশ পেছনে ফেলবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
করোনা মহামারির মধ্যেও চাঙ্গা দেশের রপ্তানি খাত। মূলত তৈরি পোশাকের উপর ভর করেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে এ খাত। পাশাপাশি গতি ফিরেছে প্রবাসী আয়েও।
এর ফলে ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে দেশের অর্থনীতির আকার চলতি মাসে প্রথমবারের মতো এক ট্রিলিয়ন বা হাজার বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে। যা ২০২৬ দেড় ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। এমন তথ্য উঠে এসেছে আইএমএফের প্রতিবেদনে।
আইএমএফের তথ্য মতে, পিপিপির ভিত্তিতে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে দেশের অর্থনীতির আকার ছিল মাত্র ২৬৭ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার। ২০২১ সালে ছিল ৯৬৬ দশমিক ৪৮৫ বিলয়ন ডলার।
আর ২০২২ সালে তা এক হাজার ৬১ দশমিক ৫৭১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। চলতি বছরের জুনে পদ্মা সেতু, ডিসেম্বরে মেট্রোরেল ও কর্ণফুলী টানেল খুলে দেয়া হবে। যার ইতিবাচক প্রভাবে ২০২৬ সালে দেশের অর্থনীতি দেড় ট্রিলিয়ন ছাড়াবে বলে মনে করে আইএমএফ।
এদিকে করোনা প্রভাবে কমেছে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। সেই সাথে নতুন ধরণ ওমিক্রনের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের ফলে বেড়েছে বিশ্বব্যাপী মন্দার আশঙ্কা। ফলে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রবৃদ্ধি আরো কমবে।