চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রশংসিত রিক্যাপ প্রতিবেদনে

চট্টগ্রাম বন্দরের ৫০ নটিক্যাল মাইলের বিশাল বহির্নোঙর এলাকা ২০২১ সালও দস্যুতামুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে কর্তৃপক্ষ। ২০১৯ সালে প্রথমবার বহির্নোঙর দস্যুতাশূন্য করতে পেরেছিল চট্টগ্রাম বন্দর। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালেও দ্বিতীয়বার দস্যুতামুক্ত বছর পার করল দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দর।

বাণিজ্যিক জাহাজে সংঘটিত সশস্ত্র ডাকাতি, দস্যুতা ও চুরি প্রতিরোধে পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংগঠন রিক্যাপ ২০২১ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে চট্টগ্রাম বন্দরে দস্যুতার ঘটনা কমে আসার সাফল্যের প্রশংসা করেছে রিক্যাপ। এ জন্য নজরদারি জোরদার করা এবং সাগরে টহল বাড়ানোকেই কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দেশের জলসীমার উপকূল থেকে সাগরের দিকে ১২ নটিক্যাল মাইল এলাকা পর্যন্ত নজরদারি করে কোস্ট গার্ড। আর ১২ নটিক্যাল মাইলের পর থেকে দেশের সমুদ্রসীমানা পর্যন্ত নজরদারি করে নৌবাহিনী। শুধু বন্দরই নয়, বন্দরের বাইরেও বাংলাদেশের জলসীমায় দস্যুতা বা চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি।

২০১৯ সালের শেষ দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমা সাড়ে সাত নটিক্যাল মাইল থেকে বেড়ে ৫০ নটিক্যাল মাইলে উন্নীত হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here