রপ্তানি পণ্যের কনটেইনার গ্রহণ সীমিত করেছে ইয়ানতিয়ান

একদিকে চান্দ্র নববর্ষের ছুটির মৌসুম, অন্যদিকে নভেল করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ- এ দুইয়ের প্রভাবে চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য ধরে রাখতে রীতিমতো হিমসিম খেতে হচ্ছে চীনের বন্দরগুলোকে। চান্দ্র নববর্ষের ছুটিতে চীনে খুচরা আমদানি বেড়ে যায়। ফলে বন্দরগুলোর ব্যস্ততাও বেড়ে যায়। কিন্তু এবার চীনের প্রধান বন্দরগুলোকে সেই ব্যস্ততার পাশাপাশি আরও একটি চাপ সামাল দিতে হচ্ছে। সেটি হলো ওমিক্রনের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোর চাপ।

চীনের বৃহত্তম চারটি বন্দর এলাকাতেই সাম্প্রতিক সময়ে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এরই মধ্যে বন্দরগুলোয় সীমিত পরিসরে লকডাউনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ফলে এসব বন্দরের চাপ গিয়ে পড়ছে অন্য বন্দরগুলোর ওপর। নিংবো-ঝৌশানের মতো বন্দরগুলোয় পণ্যজট অনেক বেড়ে গেছে। একই অবস্থা ইয়ানতিয়ানের আন্তর্জাতিক কনটেইনার টার্মিনালের। এই জট সামাল দিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ রপ্তানিমুখী পণ্যের কনটেইনার টার্মিনালে আনা সীমিত করে দিয়েছে। আজ (২১ জানুয়ারি) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

অবশ্য এখন পর্যন্ত চীনের কোনো বন্দর তাদের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করেনি, যেমনটি গত বছরের প্রবাহের সময় করেছিল। তবুও সংক্রমণের বিরুদ্ধে চীনা সরকারের জিরো টলারেন্স অবস্থানের কারণে এসব বন্দরে কিছু কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে, যার কারণে পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে বিলম্ব হচ্ছে। এর ফলশ্রুতিতে দেখা দিচ্ছে পণ্যজট। এই জট থেকে কমাতেই রপ্তানিমুখী পণ্যের কনটেইনার টার্মিনালে গ্রহণ করা কমিয়ে দিয়েছে ইয়ানতিয়ান। যেসব জাহাজ চারদিনের মধ্যে বার্থিংয়ের সুযোগ পাবে, কেবল সেসব জাহাজে লোডিংয়ের জন্যই কনটেইনার টার্মিনালে আনা যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here