অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন চুক্তি চূড়ান্ত করতে কাজ করছে ভারত-বাংলাদেশ

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টন চুক্তি চূড়ান্ত করতে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা। এ ছাড়া নদীর বাঁধ ও লবণাক্ততা নিয়ে নায্যতা ও অভিজ্ঞতা বিনিয়ময়ের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভারতে ১০তম ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সংলাপে বক্তৃতায় তিনি এসব কথা জানান। এসময় ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জানান, অবৈধ কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি পণ্য ও মানুষের সহজ ট্রানজিট নিশ্চিত করতে হবে। এসময় সীমান্ত অবকাঠামো শক্তিশালী করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি জানান, দ্বিমুখী বাণিজ্যে প্রথমবারের মতো চলতি বছর রপ্তানি দুই বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাণিজ্যে এই গতি বাড়ানোর জন্য একটি ব্যাপক অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তির দ্রুত সমাপ্তি অত্যাবশ্যক।

শ্রিংলা বলেন, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে উপমহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও পরিবহন কেন্দ্র। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পণ্য পরিবহনের জন্য চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করার বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশ একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ চুক্তি কার্যকর করার মাধ্যমে উভয় দেশের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ঐতিহাসিক গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব শ্রিংলা বলেন যে ভারত ও বাংলাদেশ ৫৪টি ভাগাভাগি নদী নিয়ে চুক্তি চূড়ান্ত করতে কাজ করছে। উভয় দেশ নদী বাঁধের ক্ষেত্রে ন্যায্যতা এবং লবণাক্ততার সমস্যা সমাধান করছে।

তিনি বিমসটেক কাঠামোর অধীনে আঞ্চলিক সহযোগিতার গতি বাড়ানোর জন্য ভারতের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, উন্নয়ন এবং সংযোগ বৃদ্ধির জন্য বিমসটেক খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here