বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্প মালিকদের বিনিয়োগে বৈচিত্র্য আনতে হবে। বর্তমানে তৈরি পোশাকের বৈশ্বিক বাজারে দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক হলেও অন্যান্য দেশের তুলনায় কম দামের পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ। এ অবস্থার পরিবর্তনে ম্যান মেড ফাইবার খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। শনিবার (৫ মার্চ) এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আরএমজি, নিটওয়্যার, সোয়েটারবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম সভায় এমন মন্তব্য করেন বক্তারা।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। আরো উপস্থিত ছিলেন কমিটির চেয়ারম্যান ও বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও স্থল বন্দরবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ বিজয় কুমার কেজরিওয়াল, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হারুন অর রশীদ, মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ মাহিন, ইন্তেখাবুল হামিদ অপু, শামস মাহমুদ, ফজলে শামীম এহসান, মোহাম্মেদ কামাল উদ্দীন, অঞ্জন শেখর দাস, হুমায়ুন কবির সেলিমসহ অন্য সদস্যরা।
এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক হলেও মূলত তূলনামূলক কম দামের পোশাক বিক্রি করে বাংলাদেশ। এ অবস্থার উন্নয়নে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পমালিকদের বিনিয়োগে বৈচিত্র্য আনতে হবে। তিনি বলেন, বেশির ভাগ উদ্যোক্তা কটনবেজড পোশাকের কারখানা এবং স্পিনিংয়ে বিনিয়োগে আগ্রহী। কিন্তু এখন বিশ্ববাজারে কৃত্রিম ফাইবারের পোশাকের চাহিদা বাড়ছে এবং দামও বেশি। তাই তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের উদ্যোক্তাদের ম্যান মেড ফাইবার খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান সভাপতি।
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান জানান, বিশ্ববাজারে কোন কোন পণ্যের চাহিদা বাড়ছে এবং বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের কোন কোন খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে, সেসব বিষয়ে একটি গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ সময় তিনি বলেন, রপ্তানিকারকরা নিজেরা প্রতিযোগিতা করে অনেক সময় পণ্যের দাম কমিয়ে দিচ্ছেন। এ প্রতিযোগিতা বন্ধের আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি।