চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন শেড ও সিএফএসে (কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন) দীর্ঘদিন পড়ে থাকা এলসিএল কনটেইনারের পণ্য (একাধিক আমদানিকারকের পণ্যবাহী কনটেইনার) দ্রুত খালাস নিতে আমদানিকারকদের অনুরোধ জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে পণ্য খালাসে প্রত্যাশিত গতি না আসলে পরদিন থেকে চারগুণ স্টোর রেন্ট বা গুদাম ভাড়া আরোপ করা হবে। রবিবার (২৭ মার্চ) পরিচালক (পরিবহন) স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এলসিএল কনটেইনারের পণ্য আনস্টাফিংয়ের (কনটেইনার থেকে নামিয়ে শেডে সংরক্ষণ করা) পর দীর্ঘসময় পেরিয়ে গেলেও আমদানিকারকরা পণ্য খালাস করছেন না। এতে শেডের প্রায় পুরো জায়গা পণ্যে পরিপূর্ণ হয়ে আছে। ফলে নতুন এলসিএল কনটেইনার থেকে পণ্য আনস্টাফিং করা যাচ্ছেনা। বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
এমন পরিস্থিতিতে, আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পণ্য খালাস পর্যবেক্ষণ করে পণ্য খালাসে প্রত্যাশিত গতি না আসলে আনস্টাফিংয়ের পর চারদিন ফ্রি টাইমের পরদিন থেকে চারগুণ স্টোর রেন্ট বা গুদাম ভাড়া আরোপ করা হবে। রেগুলেশন্স ফর ওয়ার্কিং চিটাগং পোর্ট (কার্গো অ্যান্ড কনটেইনার) ২০০১ এর ১৬০ ধারা অনুযায়ী এ ভাড়া আরোপ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।