চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ১৬৯ কোটি ডলার রাজস্ব আয় করেছে মিশরের সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ১৪০ কোটি ডলার। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে সুয়েজ খাল থেকে রাজস্ব আয় বেড়েছে প্রায় ২১ শতাংশ। সম্প্রতি এক বিবৃতির মাধ্যমে খাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সমুদ্রপথে চলাচলের দ্রুততম রুট হলো এই সুয়েজ খাল। মিশর সরকারের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎসও এটি। বৈশ্বিক সমুদ্র পরিবহন ও সাপ্লাই চেইনে সুয়েজ খালের গুরুত্ব কত বেশি তা বোঝা গিয়েছিল ২০২১ সালে। গত বছরের ২৩ মার্চ সুয়েজ খালে আটকা পড়ে এভারগ্রিন মেরিনের মালিকানাধীন ২০ হাজার টিইইউ কনটেইনার ধারণক্ষমতার জাহাজ এভার গিভেন। এতে বন্ধ হয়ে যায় বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম এই বাণিজ্যিক রুট। সুয়েজ খালের দুই প্রান্তের প্রবেশমুখে জাহাজজট তৈরি হয়, যেখানে আটকে পড়ে সাড়ে তিনশর বেশি জাহাজ। ছয় দিন পর এভার গিভেন মুক্ত হলেও সাপ্লাই চেইনে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল, তার রেশ রয়ে গিয়েছিল আরও কয়েক মাস।
এদিকে আয় বাড়াতে গত মার্চ থেকে ল্যাডেন ও ব্যালাস্ট ভেসেলের জন্য ট্রানজিট টোল ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ। বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই টোল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং খালের উন্নয়ন ও ট্রানজিট সেবার মান বৃদ্ধির জন্য এই পদক্ষেপ প্রয়োজনীয় ছিল বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।