সংযুক্ত আরব আমিরাতে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য রপ্তানির নামে ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা অবৈধভাবে দেশে আনা এবং ২০ শতাংশ রপ্তানি প্রণোদনা আদায়ের চেষ্টা করেছে নারায়ণগঞ্জের সাগর জুট ডাইভারসিফাইড ইন্ডাস্ট্রি নামের একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের ডেপুটি কমিশনার মো. আহসান উল্লাহ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানটির মনোনীত সিএন্ডএফ এজেন্ট ছিল নগরের দেওয়ানহাট এলাকার আজিজুল হক এন্ড কোং (প্রা.) লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান। রপ্তানিকারক ৮২ হাজার পিস পণ্যের বিপরীতে ৪ কোটি ৭৬ লাখ ৬১ হাজার ৮৫৫ টাকা রপ্তানিমূল্য ঘোষণা করে। কিন্তু কায়িক পরীক্ষায় পাওয়া যায় মাত্র ২৯ হাজার ৯৯৩ পিস পণ্য যার বাজারমূল্য ২৫ লাখ ৭৭ হাজার ২৬ টাকা।
কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের ডেপুটি কমিশনার আহসান উল্ল্যাহ বলেন, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ৩ কোটি ৮১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫৯ টাকা অবৈধভাবে দেশে আনার চেষ্টা করে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানটি। কায়িক পরীক্ষায় তাদের এ জালিয়াতির প্রমাণও পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, রপ্তানি খাতকে উৎসাহিত করতে সরকার ২০ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি প্রণোদনা হিসেবে ৭৬ লাখ ৩৬ হাজার ৯৭২ টাকা অবৈধভাবে পাওয়ার চেষ্টা করেন। তাই কাস্টমস আইন-১৯৬৯ ও প্রচলিত অন্যান্য আইন মোতাবেক প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।