সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সম্মতি না দেওয়ায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কেনিয়ার মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে। তবে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আনুষ্ঠানিক আলোচনার বিষয়ে সবুজ সংকেত দেওয়ায় দেশ দুটির মধ্যে এফটিএ সম্পাদনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
চুক্তি নিয়ে আলোচনার শুরুর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আফ্রিকা বিষয়ক বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) কনস্ট্যান্স হ্যামিল্টনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এরই মধ্যে কেনিয়া সফর করেছে। এফটিএ নিয়ে ওয়াশিংটন ও নাইরোবির এটাই প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা।
কয়েক সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ২০২২ ট্রেড পলিসি এজেন্ডা প্রকাশ করে মার্কিন সরকার। এতে কেনিয়ার সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও কেনিয়ার কেউই এফটিএ নিয়ে আলোচনার কিংবা চুক্তি স্বাক্ষরের দিনক্ষণ সম্পর্কে কোনো কিছু জানায়নি। তবে ২০০০ সালে কার্যকর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যবিষয়ক চুক্তি আফ্রিকা গ্রোথ অ্যান্ড অপরচুনিটি অ্যাক্টের (এজিওএ) মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তিতে যেতে চায় নাইরোবি। এজিওএ চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৬ হাজার পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পায় সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো। ২০২৫ সালে চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ রিপোর্ট অনুযায়ী, এজিওএ চুক্তির অধীনে ২০২১ সালে সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৬৭০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, ২০২০ সালে যা ছিল ৪২০ কোটি ডলার।