জ্বালানির পাশাপাশি আইসিটি ও সমুদ্র অর্থনীতি খাতেও মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সাথে মতবিনিময়কালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খাতের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে মার্কিন বিনিয়োগ আশা করে। বর্তমানে শুধুমাত্র জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ রয়েছে, যা প্রায় ৯০ শতাংশ। আমাদের জ্বালানি খাতে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আরও বিনিয়োগ প্রয়োজন। কারণ বাংলাদেশ এখনও এই খাতে পিছিয়ে রয়েছে।


ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সোমবার (৯ মে) ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ২৭ জন মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।


বাংলাদেশকে ‘উদীয়মান সূর্য’ হিসেবে অভিহিত করে মোমেন বলেন, এখন আইসিটি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সমুদ্র অর্থনীতির মতো বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের অনেক সুযোগ রয়েছে।

  
যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক পাঁচ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করে ড. মোমেন এখানে আরও বেশি বিনিয়োগ কামনা করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ এই বিশাল বিনিয়োগ থেকে অল্প পরিমান পাচ্ছে।


জ্বালানি, আর্থিক সেবা, বীমা এবং কৃষির মতো বিভিন্ন খাতের যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী নেতারা এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন। তারা ১১ মে পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকবেন।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন শেভরনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) জে আর প্রায়র।

  
বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেলাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স (জিএসপি) সুবিধা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তোরণ লাভ করছি। আমরা বরং অন্যান্য দেশের জন্য জিএসপি সুবিধা হ্রাস করতে চাই যারা বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী। ২০১৫ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেলাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স (জিএসপি) ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়েছে বাংলাদেশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here