কার্বন নিঃসরণ কমানোর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধের প্রচেষ্টায় অবদান রাখার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। এর অংশ হিসেবে নিজেদের জাহাজ ও যুদ্ধবিমানগুলোয় লো-কার্বন ফুয়েল ও হাইব্রিড ইঞ্জিন ব্যবহারের জোর দিয়েছে বাহিনীটি।
এ বিষয়ে সম্প্রতি ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন ২০৩০’ শীর্ষক একটি কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করেছে নৌবাহিনী। ২০৫০ সাল নাগাদ মার্কিন অর্থনীতিকে নিঃসরণমুক্ত করার যে লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে বাইডেন প্রশাসন, নৌবাহিনীর এই কর্মপরিকল্পনা তারই অংশ।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি, উচ্চ তাপমাত্রা, উপকূলীয় বন্যা, দাবানল ইত্যাদি দুর্যোগের কারণে নৌবাহিনীর নরফোক, ভার্জিনিয়া ও ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি এবং সাউথ ক্যারোলাইনার প্যারিস আইল্যান্ডের মেরিন কোর রিক্রুট ডিপো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি তেল ব্যবহার হয় সামরিক খাতে। এমন এক সময়ে নৌবাহিনী এই জ্বালানি রূপান্তরের ঘোষণা দিল, যখন সামরিক খাতে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি আগে থেকেই অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি পেন্টাগনের কম্পট্রোলার মার্কিন কংগ্রেসের একটি শুনানিতে জানান, চলতি অর্থবছরে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যে জ্বালানি ব্যয়ের প্রাক্কলন করা হয়েছে, প্রকৃত খরচ তার চেয়ে ৩০০ কোটি ডলার বেশি হতে পারে।