চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণে অক্ষত ৩৯০টি কনটেইনারের পণ্য দ্রুত রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে এ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। ৩০ জুন বিজিএমইএর মহাসচিব মো. ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি সংগঠনটির সব সদস্যের কাছে পাঠানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে পোশাক শিল্পের রপ্তানিতব্য বিপুলসংখ্যক পণ্য চালান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিজিএমইএ সদস্যদের রপ্তানিতব্য পণ্য চালানের বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। অক্ষত রপ্তানি চালানগুলো দ্রুত জাহাজীকরণের জন্য বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদ চট্টগ্রামের কাস্টম হাউজের কমিশনারের সঙ্গে জরুরি মতবিনিময় সভা করে। এর ধারাবাহিকতায় বিএম কনটেইনার ডিপো থেকে সংগৃহীত অক্ষত রপ্তানিতব্য কনটেইনারগুলোর তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, তালিকাভুক্ত যেসব প্রতিষ্ঠানের রপ্তানিতব্য চালানের অক্ষত কনটেইনার রয়েছে তা দ্রুত জাহাজীকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিপোর উপকমিশনার বরাবর আবেদন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া পণ্য চালান রপ্তানিতে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে বিজিএমইএর চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কাস্টমস ও পোর্ট) মোহাম্মদ আবদুল আজিজ চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৪ জুন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বেসরকারি বিএম কনটেইনার ডিপোতে এ অঞ্চলের স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ফায়ার সার্ভিসের ১০ জন সদস্যসহ ৪৯ জন মৃত্যুবরণ করেন।