আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের পাম অয়েল পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করেছে ইন্দোনেশিয়া। এই শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে সরকারের রাজস্ব আহরণে তেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে সরকারি কর্মকর্তারা দাবি করছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েলের মজুদ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। রপ্তানি বাড়ানোর মাধ্যমে এই মজুদ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে দেশটির সরকার। শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত এই প্রচেষ্টারই অংশ।
স্থানীয় বাজারে দাম কমিয়ে আনতে চলতি বছরের ২৩ মে পাম অয়েল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক ও রফতানিকারক ইন্দোনেশিয়া। টানা তিন সপ্তাহ এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল। এতে দেশটিতে পাম অয়েলের মজুদ ব্যাপক বড়ে যায়। ঊর্ধ্বমুখী মজুদের কারণে বিপাকে পড়েন দশটির উৎপাদকরা।
১ সেপ্টেম্বর থেকে আবারও রপ্তানি শুল্ক কার্যকর হবে। এ সময় দামের ওপর ভিত্তি করে প্রতি টন পাম অয়েলের রপ্তানি শুল্ক দাঁড়াবে ৫৫-২৪০ ডলার।
ইন্দোনেশিয়ান পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, মে মাসের শেষ নাগাদ দেশটিতে ৭২ লাখ ৩০ হাজার টন অপরিশোধিত পাম অয়েল মজুদ ছিল। সংস্থাটি রফতানি শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।