
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখবে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির এ সরকারি সিদ্ধান্ত অবহিত করেছেন হাইকমিশনার জেরেমি ব্রু। এক বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার (১৮ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছে বিজিএমইএ।
গত ১৭ জুলাই ঢাকায় অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশনে জেরেমি ব্রুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে পোশাক পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ প্রতিনিধি দল। সভাপতি ফারুক হাসানসহ প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি মিরান আলী, পরিচালক আসিফ আশরাফ, ব্যারিস্টার ভিদিয়া অমৃত খান এবং বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ফরেন মিশন সেলের চেয়ারম্যান শামস মাহমুদ। বৈঠকে ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি) ডানকান ম্যাককুলাফ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বাংলাদেশের জন্য অস্ট্রেলিয়ার শুল্কমুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখার বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ সিদ্ধান্ত এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পরও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ধরে রাখতে বাংলাদেশকে সাহায্য করবে। বাংলাদেশের উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান আগামী বছরগুলোয় অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সভাপতি।
বিজিএমইএ জানিয়েছে, বৈঠকে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় দেশের সামনে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের সুফল লাভ করার বিশাল সুযোগ রয়েছে বলেও বৈঠকে অভিমত প্রকাশ করা হয়েছে। বৈঠকে বিজিএমইএ নেতারা পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে অস্ট্রেলিয়া থেকে আরো তুলা ও উল আমদানিতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন। এছাড়া বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ফ্যাশন ইনস্টিটিউটগুলোর সহযোগিতার মাধ্যমে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন ও টেকনোলজি (বিইউএফটি) শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন।