রপ্তানি বাড়াতে লজিস্টিকে উন্নতি করতে হবে

প্রতিকী ছবি

বর্তমান বাংলাদেশের পণ্য উৎপাদনের যে সক্ষমতা রয়েছে তা দিয়েই রপ্তানি আরও অন্তত ২০-২৫ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব। এজন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সেটির সঠিক ব্যবহারের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মহাসড়কগুলোয় পণ্যবাহী যানচলাচলের গতি অন্ততপক্ষে বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ বাড়ানো প্রয়োজন। বুধবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে অ্যামেরিকান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (অ্যামচেম) আয়োজিত ‘লজিস্টিক সেক্টর: সম্ভাবনা ও সমস্যা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন অ্যামচেমের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ এরশাদ আহমেদ, বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ডারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএএফএফএ) প্রেসিডেন্ট কবীর আহমেদ, বাংলাদেশ সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট নাকিব খান। পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মাশরুর রেজার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অধ্যাপক মামুন হাবিব।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে অধ্যাপক মামুন হাবিব বলেন, লজিস্টিকে বাংলাদেশের স্কোর ১০-এ মাত্র ৪ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট। যেখানে চায়নার ৮ দশমিক ৫, ভারতের ৭ দশমিক ২১, আরব আমিরাতের ৬ দশমিক ৭২, মালয়েশিয়ার ৬ দশমিক ৩২, পাকিস্তান ৪ দশমিক ৭৮, শ্রীলংকা ৪ দশমিক ৬০ পয়েন্ট। ফলে আমরা যদি রপ্তানিতে আরও এগিয়ে যেতে চাই তাহলে লজিস্টিকে উন্নতি করতে হবে। এজন্য প্রযুক্তিগত উন্নতির বিকল্প নেই।

বিএএফএফএ প্রেসিডেন্ট কবীর আহমেদ বলেন, আমাদের সমুদ্রবন্দরে জাহাজে পণ্য আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা রয়েছে। কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ব্যয় অনেক বেড়ে যাচ্ছে। আমরা যদি আমদানি ও রপ্তানির জন্য আলাদা পদ্ধতি অনুসরণ করি তাহলে জটিলতা কমে যাবে। আমাদের পণ্যের যে পরিমাণ চাহিদা এখন রয়েছে সে অনুযায়ী আমরা পণ্য বিদেশে পাঠাতে পারি না। আমাদের বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নেই। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান যদি করা যায় তাহলে রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here